ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৮-২৯
  • ২১৩২৩৬২১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতে আর জি কর কাণ্ডে এক মেয়ে চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পুরো ভারত জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এ ঘটনায় সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শোবিজ তারকারাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। টলিউড অভিনেত্রী সোহিনী সরকার এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবখানেই সরব ছিলেন।
আগামী সেপ্টেম্বরের ‘মহামিছিল’-এর ১১ দফা দাবির কথাও জানিয়েছেন তিনি। ‘আমরা তিলোত্তমা, আমাদের দাবি’ শীর্ষক একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এবার কোনও শিল্পীর রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এ অভিনেত্রী।
ফেসবুক লাইভে সোহিনী এক নেটিজেনের প্রশ্নের সূত্র ধরে বলেন, ‘আমার মতে, কোনও শিল্পী যেকোনও রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতেই পারেন। কিন্তু কোনও পদে যেতে পারেন না। কোনও শিল্পীর এই ২০২৪ সালে কোনও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা উচিতই নয়। পদ আর ক্ষমতা পেয়ে গেলে কেউই আর ঠিক থাকেন না। কারণ আমি একা পদে নেই।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘আমার উপরে যিনি রয়েছেন তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত হলে তার মতো করেই আমাকে কাজ করতে হবে। গদিতে এমন মোহমায়া রয়েছে, যে মানুষকে আর মানুষ থাকতে দেয় না। কোনও শিল্পীর রাজনৈতিক চেতনা থাকতেই পারে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনও শিল্পীর পদে যাওয়াকে বিশ্বাস করি না, কেউ গেলেও তার বিরোধিতা করি।’ 
তবে তারকাদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নতুন কিছু নয়। পদে থাকার ঘটনাও প্রায় সকলেরই চেনা। কারণ বিজেপি হোক কিংবা তৃণমূল- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেই তারকাদের পদে থাকার বহু উদাহরণ রয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট থেকে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার আর জি কর কাণ্ডে তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই ঘটনা সংক্রান্ত তথ্যের খোঁজে এখনও পর্যন্ত একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বেশ কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেস্টও হয়েছে। তবে তদন্ত নেওয়ার পর নতুন করে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করেনি সিবিআই। তরুণী চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খোলা এবং সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের সুবিচার পাওয়া নিয়ে নানান প্রশ্নে আপাতত মুখর কলকাতা নগরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat