‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৫-২৬ আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেল আয়োজিত বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রিপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম সচিব ও বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের পরিচালক (অডিট ও আইন) রুবাইয়াৎ-ই আশিক।
কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক প্রকৌশলী মো. জিয়াউর রহমান, বিআরটিএ সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পরিচালক প্রকৌশলী উসমান সরোয়ার আলম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. জয়ন্ত সরকার, ট্রাফিক পরিদর্শক মশিউর রহমান, মোটরযান পরিদর্শক ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান খোকন, ম্যাকানিকাল অ্যাসিসট্যান্ট ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, গাড়ি চালানো শুরুর আগে নিজের সন্তানের কথা ভাববেন। কারণ, পরিবার প্রধান যদি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় তাহলে সেই পরিবারের সদস্যদের জীবনে যে চরম দুর্বিসহ অবস্থা নেমে আসে তা কেবল ওই পরিবারের সদস্যরাই বলতে পারেন। দুর্ঘটনা কমানো না গেলে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সারিতে দাঁড়াতে পারবে না।
তিনি সড়ক দুর্ঘটনার পর ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয়ার ওপর গুরুতারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, গাড়িতে যাত্রী ওঠানোর সময় টানা হ্যাঁচড়া না করা, নারী যাত্রী থাকলে তাদের সাথে কোনো খারাপ আচরণ না করা, হেলপারদের সচেতন হওয়া এবং ওভারটেকিং করার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হতে হবে। হাইড্রলিক হর্ণ বাজানো বন্ধ করা, গাড়িতে অগ্নিনির্বাপক গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখা, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম রাখা, নেশা না করা, গাড়িতে নিয়ম অনুযায়ী লাইট লাগানো ও ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালা শুরুতেই দুর্ঘটনা সম্পর্কিত দু’টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
কর্মশালা শেষে বিকেল তিনটায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজ মাঠে নিবন্ধিত ৯৩জন চালককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ খুলনা শাখার পরিচালক প্রকৌশলী মো. জিয়াউর রহমান।