ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-৩১
  • ৬৭৬৬৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, নয়াদিল্লি মনে করে যে, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা এবং ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা জি-২০ আলোচনায় মূল্যবান অবদান রাখবে।
আগামী ৯-১০ সেপ্টেম্বর ভারতের সভাপতিত্বে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনে ঢাকার অংশগ্রহণ উপলক্ষে আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জি-২০ সামিট: ঢাকা থেকে নয়দিল্লি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাইকমিশনার বলেন, এই বছর ভারতের সভাপতিত্বে জি-২০ সম্মলনে অতিথি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য ভারতের আমন্ত্রণ শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ভারত যে গুরুত্ব দেয় শুধু সেটিই প্রতিফলিত করে তা নয়, বরং বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকেও তুলে ধরে।
সারা বছর ধরে বিভিন্ন প্লাটফর্মে সক্রিয়ভাবে যোগ দিয়ে জি-২০ আলোচনা সমৃদ্ধ করতে এবং ভারতের জি-২০’তে সভাপতিত্বকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য ভার্মা ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী ও সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
হাইকমিশনার বলেন, ভারতের সভাপতিত্বে এমন এক সময়ে জি-২০ সম্মেলন হচ্ছে যখন বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারীর ধকল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং অর্থনৈতিক মন্দা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তাসহ অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
তিনি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘœ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকি, ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি এবং ঋণ সংকটকে বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
এই কঠিন সময়ে জি-২০ সম্মেলনের এজেন্ডা নির্ধারণ সার্বিক কল্যাণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ভারতের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হচ্ছে জি-২০ প্রেসিডেন্সি।
ভার্মা বলেন, ভারত গ্লোবাল সাউথের আকাঙ্খা ও দৃষ্টিভঙ্গিসমূহকে জি-২০-এর অগ্রাধিকার ও আলোচনায় নিয়ে আসার জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
তিনি এ লক্ষ্যে চলতি বছর জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে একটি মূল্যবান অবদান বলে বর্ণনা করেন।
আজকের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, অ্যাম্বেসেডর-অ্যাট-লার্জ ও বাংলাদেশের জি-২০ শেরপা মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের পাশাপাশি কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞরা প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। এগুলো হলো- নারী নেতৃত্বের উন্নয়ন, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট (লাইফ) এবং সবুজ উন্নয়ন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat