ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-০৬
  • ৩৯৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

অতি আধুনিকতার নামে বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষযয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সিনেমেকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১ এর সমাপনী ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ড. মনোরঞ্জন ঘোষালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও উৎসবের  চেয়ারম্যান সালমা ডলি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, উৎসবের কো-চেয়ারম্যান অপূর্ব রায়, উৎসব পরিচালক মনজুরুল ইসলাম মেঘ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
মন্ত্রী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, জারি, সারি, ভাটিয়ালী, নাটক, চলচ্চিত্র, যাত্রা, পালা গান যেন টিকে থাকে। যাতে আমরা বলতে পারি আমরা বাঙালি। চলচ্চিত্রে আমাদের বাঙালিত্ব যেন টিকে থাকে। অতি আধুনিকতার নামে আমরা যেন অস্তিত্ব বিকিয়ে না দেই।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্র ক্ষণে বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম একটি ক্ষেত্র হচ্ছে সংস্কৃতি। আর সংস্কৃতির বড় অংশ জুড়ে রয়েছে চলচ্চিত্র। আকাশ সংস্কৃতির যুগে যখন সিনেমা হল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, সেটা টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। সিনেমা হলের আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন।
তিনি আরো বলেন, জীবনঘনিষ্ঠ ঘটনাপ্রবাহকে আন্তরিকভাবে ফুটিয়ে তোলা অনবদ্য সৃষ্টি হচ্ছে চলচ্চিত্র। অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ কলাকুশলীরা হচ্ছেন সেই চলচ্চিত্রের আর্কিটেক্ট। তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে যে চলচ্চিত্র নির্মিত হয় তা আমাদের জাতিকে পথ দেখায়। একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী অভিনয় দিয়ে মানুষের জীবনকে স্পর্শ করতে পারেন, যা সাধারণ মানুষ পারেন না।  
সমাপনী অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ড. মনোরঞ্জন  ঘোষালকে আজীবন সম্মাননাসহ বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্তদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সিনেমেকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ১২১টি দেশের ৬০০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি ১১টি বিভাগে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat