ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২০-১১-২৯
  • ৮৬৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডাকটিকিট একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংস্কৃতি, বরেণ্য ব্যক্তিদের ইতহাসের স্মারক হিসেবে কাজ করে।
তিনি বলেন,“ চিঠি লেখার দিন থাকুক বা না থাকুক ডাক টিকেটের প্রয়োজনীয়তা আছেই-থাকবেও।। জ্ঞানার্জনের জন্য ডাকটিকিটে যে তথ্য পাওয়া যায় তা অন্য কোথাও পাওয়া দুষ্কর। নতুন প্রজন্মকে তাই ডাকটিকেট সংগ্রহে উৎসাহিত করতে হবে।” একইভাবে এটি একটি সৃজনশীল কাজ হওয়ায় অঙ্কন-ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত সৃজনশীল মানুষদেরকে স্মারক ডাকটিকেটের ডিজাইনে কাজে লাগাতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী শনিবার রাতে ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ফিলাটেলিক সোসাইটি আয়োজিত স্মারক ডাকটিকেটের প্রেক্ষিত বিষয়ক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সংগঠনের নেতা হাবিবুঠমঠাহ আলম বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকেট সংগ্রাহক আনোয়ারুল কাদের, লস্কর ইফতেখার, অনমশরা ইসলাম প্রমূখ বক্তৃতা করেন।
ডাক মন্ত্রী বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবনের প্রতিটি গুারুত্বপুর্ণ ঘটনা যেভাবে স্মারক টিকেটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতেও স্বাধীনতার ঘটনাবহুল বিষয়গুলো নিয়ে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই সব স্মারক ডাকটিকেট ইতিহাস জানার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে কি কি বিষয়ের উপর স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা যায় এই ব্যাপারে ফিলাটেলিক সংগঠন সমূহের মতামত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডাকঘরকে ডিজিটালাইজেশনের যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। ডাকঘরের সাথে দেশের প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি পরিবারের সম্পর্ক আছে। ২০২১ সালের পর ডাকঘরের বিদ্যমান চিত্র আর থাকবে না। ডাকঘর হবে অতীতের মতোই মানুষের অতি প্রয়োজনীয় ঠিকানা।’
বক্তারা স্মারক ডাকটিকেট একটি জাতির ভবিষ্যত জ্ঞান সম্পদ উল্লেখ করে বলেন, ইতিহাস ঐতিহ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাহাড়, ঝর্ণাসহ নানা প্রাকৃতিক রূপ বৈচিত্র নিয়ে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা যায়। এর ফলে দেশে বিদেশে এর চাহিদা আরও বাড়বে। তারা ডাক অধিদপ্তরের ফিলাটেলিক ব্যুরোকে আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat