ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-১১-১৬
  • ১০৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগর উদ্যানে নব নির্মিত যুদ্ধাহত বীর ভাস্কর্য। যা ইতোমধ্যে সকল বয়সীদের নজর কেড়েছে। শিল্পীর দাবি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দেশে অনেক ভাস্কর্য আছে, তবে যুদ্ধাহত বীর বাংলাদেশে এটিই প্রথম। ক্রাচে ভর দিয়ে বিজয় উল্লাস করছেন যুদ্ধাহত বীর। বাম পা আছে, ডান পা নেই। সূর্য সন্তানের মুখে বিজয়ের হাসি। ডান হাতে থ্রি নট থ্রি রাইফেল উঁচু করে আছেন। রাইফেলের উপরের অংশে জাতীয় পতাকা। ভাস্কর্যের পেছনে রয়েছে একটি ফলক। যার নিচের অংশে রয়েছে কচি একটি পাতা। যা সদ্য স্বাধীন লাভ করা বাংলাদেশকে ইঙ্গিত করে। যার উপরে ফলক রয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র। যার দুই পাশে তামা, পিতল ও অ্যালুমিনিয়াম পর্দাথের তিনটি বর্ণালী রেখা। যা সোনা-রূপার বাংলাদেশকে বুঝানো হয়েছে। মানচিত্রের ডানে ৩০, বামে ২ উপরে ৭ অঙ্কে লিখা আছে। এ তিনটি সংখ্যা দ্বারা ৭ বীর শ্রেষ্ঠ, ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সমভ্রম হারানোর কথাকে স্মরণ করা হয়েছে। মানচিত্রের উপরে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ দিয়ে, আজকের সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্ছে ১৬টি এসএস স্টিক দেওয়া হয়েছে। যা ১৬ ডিসেম্বরের বার্তা বহণ করে। নিচের অংশে ট্যারাকোটার ছোঁয়া রয়েছে।
শিল্পী মোহাম্মদ শাহীন বাসসকে জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দেশে অনেক ভাস্কর্য আছে তবে যুদ্ধাহত বীর বাংলাদেশে এটিই প্রথম। ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবসে এ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হবে । এটির সকল কাজ শেষ হয়েছে। কুমিল্লা সিটি করর্পোরেশন অংকনশালা ও শিল্প চর্চা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা এ কাজে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে।
মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বাসসকে জানান, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উদ্যানে হাজারো মানুষ চলাচল করে। তারা মুক্তিযুদ্ধাদের ত্যাগের কথা জানবে, শিখবে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ সৌন্দর্য রক্ষা সকলের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat