ব্রেকিং নিউজ :
যারা নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা করতে চায়, জনগণ তাদের প্রতিহত করবে: নজরুল ইসলাম খান বান্দরবানে যৌথবাহিনী মোতায়েন উপলক্ষে ব্রিফিং সাতক্ষীরা সীমান্তে বিভিন্ন মালামাল জব্দ, আটক ১ টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ১ হাজার ৬৩টি কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনি সরঞ্জাম উৎসবের অপেক্ষা; চট্টগ্রামের কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের উপকরণ নির্বাচনে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের সংখ্যা-শতকরা প্রেরণের নির্দেশ ইসির সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান বিএনপির সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান সিইসি’র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৫-০৪
  • ৩৫৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ঘন্টা পর চট্টগ্রাম বন্দর সচল

নিউজ ডেস্ক:-ঘূর্ণিঝড় ফণী’র কারণে প্রদত্ত বিপদ সংকেত প্রত্যাহারের পর প্রায় ৩০ ঘন্টা বন্ধ থাকা চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড, টার্মিনাল কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সচল হয়েছে।
বন্দরে জাহাজ প্রবেশের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়া হয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তর থেকে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আর বিধি নিষেধ নেই।
আজ শনিবার বিকেল সোয়া তিনটা থেকে এনসিটি, সিসিটিতে ‘মুভমেন্ট’ শুরু করে ‘কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট’ সমূহ। তবে জাহাজ প্রবেশের মাধ্যমে জেটি সচল হতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঘূণিঝড় ফণী’র কারণে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়ার পর বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অ্যালার্ট-থ্রি জারি করে। ফলে বন্দরের সব জেটি থেকে জাহাজগুলো বহির্নোঙরে, বন্দর চ্যানেলের সব নৌযান শাহ আমানত সেতুর পূর্বপাশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওইদিন দুপুর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য উঠানামাসহ সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে কনটেইনারসহ পণ্য উঠানামার সরঞ্জামগুলোকে বেঁধে রাখা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো.ওমর ফারুক বলেন, ‘বিপদ সংকেত নেমে যাবার পর আমাদের অ্যালার্টও অটোমেটিক্যালি আর নেই। আমরা আউটার থেকে জাহাজগুলোকে শিডিউল অনুযায়ী জেটিতে আসার জন্য বলেছি। সিএন্ডএফগুলোকে জেটি ও ইয়ার্ডে এসে তাদের পণ্য নিয়ে যেতে বলেছি। তবে, সাগর এখনও প্রচ- উত্তাল। এই অবস্থায় রাতের আগে জেটিতে জাহাজ আসতে পারবে কি-না, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’
লাইটারেজ জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী ‘ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল’-এর যুগ্ম পরিচালক হাজী শফিক আহমেদ বলেন, ‘সংকেত নেমে গেলেও সাগরের অবস্থা ভালো না। এত উত্তাল সাগরে জাহাজ চালাতে মাস্টাররা আগ্রহী নয়।’
শুক্রবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭০টি জাহাজ ছিল। এর মধ্যে ফণী’র কারণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় খোলা পণ্য ও কনটেইনার নিয়ে আটকা পড়ে ৪০টি জাহাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat