ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৫-০৪
  • ৩৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ ঘন্টা পর চট্টগ্রাম বন্দর সচল

নিউজ ডেস্ক:-ঘূর্ণিঝড় ফণী’র কারণে প্রদত্ত বিপদ সংকেত প্রত্যাহারের পর প্রায় ৩০ ঘন্টা বন্ধ থাকা চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড, টার্মিনাল কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সচল হয়েছে।
বন্দরে জাহাজ প্রবেশের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়া হয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তর থেকে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আর বিধি নিষেধ নেই।
আজ শনিবার বিকেল সোয়া তিনটা থেকে এনসিটি, সিসিটিতে ‘মুভমেন্ট’ শুরু করে ‘কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট’ সমূহ। তবে জাহাজ প্রবেশের মাধ্যমে জেটি সচল হতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঘূণিঝড় ফণী’র কারণে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়ার পর বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অ্যালার্ট-থ্রি জারি করে। ফলে বন্দরের সব জেটি থেকে জাহাজগুলো বহির্নোঙরে, বন্দর চ্যানেলের সব নৌযান শাহ আমানত সেতুর পূর্বপাশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওইদিন দুপুর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য উঠানামাসহ সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে কনটেইনারসহ পণ্য উঠানামার সরঞ্জামগুলোকে বেঁধে রাখা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো.ওমর ফারুক বলেন, ‘বিপদ সংকেত নেমে যাবার পর আমাদের অ্যালার্টও অটোমেটিক্যালি আর নেই। আমরা আউটার থেকে জাহাজগুলোকে শিডিউল অনুযায়ী জেটিতে আসার জন্য বলেছি। সিএন্ডএফগুলোকে জেটি ও ইয়ার্ডে এসে তাদের পণ্য নিয়ে যেতে বলেছি। তবে, সাগর এখনও প্রচ- উত্তাল। এই অবস্থায় রাতের আগে জেটিতে জাহাজ আসতে পারবে কি-না, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’
লাইটারেজ জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী ‘ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল’-এর যুগ্ম পরিচালক হাজী শফিক আহমেদ বলেন, ‘সংকেত নেমে গেলেও সাগরের অবস্থা ভালো না। এত উত্তাল সাগরে জাহাজ চালাতে মাস্টাররা আগ্রহী নয়।’
শুক্রবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭০টি জাহাজ ছিল। এর মধ্যে ফণী’র কারণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় খোলা পণ্য ও কনটেইনার নিয়ে আটকা পড়ে ৪০টি জাহাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat