ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০২-১৪
  • ৩৫৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সমন্বিত উদ্যোগে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক:–স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য মাস্টার প্ল্যানের যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে সেটা দিয়ে আমাদের কাজ শুরু করতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী আজ সচিবালয়স্থ স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য মাস্টার প্ল্যান তৈরি সংক্রান্ত কমিটির এক সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন। সভায় প্রস্তাবিত মাস্টার প্ল্যানের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ. জ. ম. নাসির উদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, পানি সম্পদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, নদী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের নদী ও খালগুলো একটির সাথে অপরটি সংযুক্ত। তবে ঢাকার চারপাশের এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসমূহের পাশের্^ অবস্থিত শিল্পকারখানা ও মানবসৃষ্ট অন্যান্য বর্জ্যরে কারণে সৃষ্ট দূষণ ও অবৈধ দখল রোধ করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। মন্ত্রী নদী তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ, ইকো পার্ক নির্মাণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের তাগিদ দেন। মন্ত্রী আরো বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বালু এবং টঙ্গীখাল নদীগুলোর দূষণের উৎস শিল্পবর্জ্য রিসাইকেল করতে হবে। নদী দূষণে সহায়তা প্রদানকারী বর্জ্য সরাসরি যাতে পানিতে মিশতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। বুড়িগঙ্গা নদীসহ ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধে পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দূষণ থেকে উত্তরণের বিষয়ে সেবা সংস্থাসমূহকে উদ্যোগ নিতে হবে। উল্লেখ্য, মাস্টার প্ল্যানটি ৪টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। এক বছর মেয়াদি ক্রাশ প্রোগ্রাম, ২ বছর মেয়াদি স্বল্প মেয়াদি, ৫ বছর মেয়াদি মধ্য মেয়াদি এবং ১০ বছর মেয়াদি দীর্ঘ মেয়াদি কার্যক্রম। নদী দখল রোধে করণীয়, নদীর পানি দূষণ রোধে করণীয় ও নাব্যতা বৃদ্ধিতে করণীয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের করণীয় সম্পর্কে মাস্টার প্ল্যানে উল্লেখ রয়েছে। সভায় নদী রক্ষায় ভূমিকার জন্য পুরস্কার বিতরণের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। নদীর উপরিভাগ ছাড়াও নদীর তলদেশের পানি প্রবাহের ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়ার ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞগণ মতামত প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat