ব্রেকিং নিউজ :
সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান বিএনপির সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান সিইসি’র নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাব গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনকালীন নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহতের নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের গণমাধ্যমকে অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইসি সচিবের জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স দলের সাক্ষাৎ দিনাজপুরে র‌্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০১-২৭
  • ৫৪৩৬৪৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজায় গণহত্যা বন্ধ করার জন্য ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসবে। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
আলজেরিয়া বুধবারের বৈঠক আহ্বান করেছিল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্বের ওপর আরোপিত অস্থায়ী ব্যবস্থার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ঘোষণার বাধ্যতামূলক প্রভাব ফেলবে।’
শুক্রবার আইসিজে বলেছে, ইসরায়েলকে অবশ্যই হামাসের সাথে যুদ্ধে গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং গাজায় মানবিক সাহায্যে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। তবে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়নি।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মানসুর বলেছেন, সিদ্ধান্তটি ‘স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, তারা যা চাইছে তা করার জন্য আগে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।’
তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, ‘সম্ভাব্য গোলযোগের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’ কারণ, আলজেরিয়া নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আরব গ্রুপের পক্ষে প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপ দেবে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে বিভক্ত নিরাপত্তা পরিষদ ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর সর্বশেষ  শুধুমাত্র দু’টি প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।
ডিসেম্বরে যখন ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিল,তখন নিরাপত্তা পরিষদ গাজার অবরুদ্ধ জনসংখ্যার জন্য বিপুল পরিমান সাহায্য পাঠানোর দাবি করেছিল।
হামাসের নজিরবিহীন হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১,১৪০ জন মারা গেছে। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।
হামাস প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে। ইসরায়েল দাবি করেছে, তাদের মধ্যে এখনো প্রায় ১৩২ জন গাজায় আটক রয়েছে। কমপক্ষে ২৮ জন জিম্মিকে হামাস হত্যা করেছে।
ইসরায়েল হামাসকে দমন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযান শুরু করলে গাজার ২৬,০৮৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে এদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু।
আন্তর্জাতিক আদালত প্রায় চার মাসব্যাপী যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকার সময় ইসরায়েলকে ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন মেনে সবকিছু করার পরামর্শ দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat