ব্রেকিং নিউজ :
ভোলায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে যমুনা থেকে ভোটদান চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার এবারের ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতির কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুই ক্র্যাচে ভর দিয়ে ভোট কেন্দ্রে রাজশাহীর বৃদ্ধা দুলোন জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে : ফারুক-ই-আজম ভোটারদের ইতিবাচক উৎসাহ ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছে ইইউ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছে : তথ্য উপদেষ্টা দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ : ইসি সচিব
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-১০
  • ৬৫৬৯২৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ রোববার দ্বিতীয়ার্ধে বেলা ১১টার পর থেকে সোয়া দুপুর ১টা পর্যন্ত আপিল বিভাগের বিচারকাজ বন্ধ ছিল।
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আজ সকালে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সকালে আপিল বিভাগের বিচারকাজ শুরু হলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক নির্বাচিত সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অনেক অবদান রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত এর আগেও বারের সাবেক সভাপতিদের মৃত্যুতে সম্মান দেখিয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে আপিল বিভাগে বেলা ১১টার পর বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানান।
গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, পুত্র-কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৪০ সালের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্কুলের শিক্ষা লাভ করেন কলকাতা, পিরোজপুর ও ঢাকায়। ঢাকার নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডন যান এবং মিডল টেম্পল-ইন এ ভর্তি হন। ১৯৬৫ সালে তিনি ব্যারিস্টার হিসেবে বার এ যোগ দেন এবং একই বছরের ডিসেম্বরে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।  
লন্ডন অবস্থানকালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের লন্ডনস্থ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে বাবার মৃত্যুর পর ইত্তেফাক সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ইত্তেফাকের সম্পাদকম-লীর সভাপতি হন।
১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পিরোজপুর (বরিশাল) জেলার ভান্ডারিয়া-কাঠালিয়া নিয়ে গঠিত নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি নিউ নেশন পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি ও প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশে প্রথম গঠিত প্রেস কমিশনেও তিনি সদস্য ছিলেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত (২০০০-২০০১) হয়েছিলেন।  ২০০৭ এর এক এগারোর পর গঠিত তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে তাকে আজিমপুরে কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে জানায় পারিবারিক সূত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat