ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৯-২২
  • ৩৩৪৪৬৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার ২০তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন প্যানেল এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করবেন।
এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের শুরুতেই ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদকে জেরা করবেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। এরপর নতুন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে। এ মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণের আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ট্রাইব্যুনালে জুনায়েদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় তা আজ পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। মামলার ৪৮ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জুনায়েদ ২০১৩ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা দেন। একইদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের জেরাও অবশিষ্টাংশসহ সম্পন্ন হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। তাদের সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যরা।
মামলায় ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ২ সেপ্টেম্বর সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হয়ে আদালতে জানান, শেখ হাসিনা ও কামালের নির্দেশেই জুলাই-আগস্টে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তিনি এ জন্য ক্ষমা চান এবং গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় চিকিৎসক, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরাও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষীদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ ও নৃশংসতার বিবরণ। শহীদ পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা শেখ হাসিনা, কামালসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের আনা পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে গণহত্যা, হত্যা ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধ অন্তর্ভুক্ত।
মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে রয়েছে দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার তথ্যসূত্র, চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি এবং দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার শহীদদের তালিকা। মামলায় মোট সাক্ষী রয়েছেন ৮১ জন। গত ১২ মে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দেয় চিফ প্রসিকিউটরের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat