ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-১৪
  • ৩৪৪৫৪৬১০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পেরুর প্রধানমন্ত্রী গুস্তাভো আদ্রিয়ানসেন মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন। দেশের সহিংস অপরাধ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যর্থতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠেয় অনাস্থা ভোটের ঠিক আগেই এ পদক্ষেপ নিলেন তিনি।

লিমা থেকে এএফপি জানায়, ৫৮ বছর বয়সী আদ্রিয়ানসেন প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বাধীন সরকার সম্প্রতি খুনখারাবি ও চাঁদাবাজি চক্রের তাণ্ডবের মুখে পড়েছে।

সরকারি সদরদপ্তর থেকে সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, আদ্রিয়ানসেন প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রীদের কাছে ‘অপরিবর্তনযোগ্য পদত্যাগপত্র' পেশ করছেন।

এটি পেরুর রাজনৈতিক অস্থিরতার সর্বশেষ অধ্যায়। আদ্রিয়ানসেন ছিলেন প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তের প্রায় তিন বছরের শাসনামলের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। তার পূর্বসূরি এক প্রভাব খাটানোর কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ার পর ২০২৪ সালের মার্চে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে পার্লামেন্টের বাম ও ডান উভয়পন্থী সদস্যরাই তার অপসারণ দাবি করে আসছিলেন। পেরুর আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী অনাস্থায় পড়ে গেলে মন্ত্রিসভা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যায়।

পেরুতে চাঁদাবাজি অনেক পুরনো সমস্যা হলেও সাম্প্রতিক সহিংসতার মাত্রা নজিরবিহীন। ভেনিজুয়েলার ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’র মতো আন্তঃদেশীয় অপরাধ চক্রগুলোকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাটি এমন এক সময়ে এলো, যখন প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তের বিরুদ্ধে নতুন বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কেলেঙ্কারি ও ব্যাপক জনঅসন্তোষ সত্ত্বেও তিনি এখনও ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন।

নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক দল না থাকায়, তিনি একটি ডানপন্থী জোটের সমর্থনে দেশ পরিচালনা করছেন, যারা সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat