ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-১৬
  • ৭৬৭৬৯৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্লাবের ১২০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মত বুন্দেসলিগা শিরোপা জেতার কৃতিত্ব দেখিয়েছে বায়ার লেভারকুসেন। এর মাধ্যমে লিগে বায়ার্ন মিউনিখের ১১ বছরের আধিপত্যেরও অবসান হয়েছে।
কোচ জাভি আলোনসোর নিখুঁত পরিচালনায় এখনো পর্যন্ত অপরাজিত থেকেই শিরোপা নিশ্চিত করেছেন লেভারকুসেন। ৪৩ ম্যাচ পর এখনো পর্যন্ত ইউরোপের অপরাজিত থাকা একমাত্র দল লেভারকুসেন।
দারুন এই সাফল্যের পিছনে ১০টি কারন খুঁজে বের করেছে স্প্যানিশ জনপ্রিয় দৈনিক মার্কা।
১.স্থিতিশীলতা :
২০১৮ সালে ক্লাবের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে স্প্যানিয়ার্ড ফার্নান্দো কারো ও স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে সাইমন রোলফেসের ফিরে আসাই লেভারকুসেনের সাফল্যের মূল ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।
২. একটি স্থাবর ব্যবস্থা :
আলোনসো আসার পর থেকেই নির্দিস্ট ১-৩-৪-২-১ ফর্মেশনে তিনি স্থির ছিলেন। এই আস্থার জায়গা থেকেই দলের একের পর এক সাফল্য এসেছে।
৩. হারতে অস্বীকার :
সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এবারের মৌসুমে একমাত্র দল হিসেবে ইউরোপে এখনো পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে লেভারকুসেন। এ পর্যন্ত খেলা ৪৩ ম্যাচের ৩৮টিতে জয় ও পাঁচটি ড্র করেছে তারা। এর মাধ্যমে লেভারকুসেন ২০১১-১২ মৌসুমে জুভেন্টাসের রেকর্ড স্পর্শ করেছে।
৪. গোলের বন্যা :
শীর্ষ  লিগে লেভারকুসেন সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল করেছে। ৪৩ লিগ, কাপ ইউরোপা লিগের ম্যাচে তাদের গোলসংখ্যা ১২৩। প্রতি ম্যাচে এর গড় ২.৮।
৫. গোলবারে নির্ভরযোগ্যতা :
এবারের মৌসুমে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৯ গোল হজম করে বুন্দেসলিগায় সবচেয়ে সফল ও শক্তিশালী গোলরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রমান করেছেন লুকাস রাডেকি। ২৯ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১৫টিতে গোল হজম করে তিনি বাকি প্রায় অর্ধেক ম্যাচে দলকে কোন গোল হজম করতে দেননি।
৬. শক্তিশালী উইঙ্গার :
বামদিকে আলেহান্দ্রো গ্রিমালডো ও ডানদিকে হেরেমি ফ্রিমপং যেন একে অপরকে ছাড়িয়ে যাবার জন্যই প্রতি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন। ১১ গোল ও ১৬ এ্যাসিস্ট করে ইউরোপের ডিফেন্ডার হিসেবে শীর্ষে অবস্থান করছেন গ্রিমালডো। ফ্রিমপং করেছেন ১২ গোল, এছাড়া তার ১১টি এ্যাসিস্টও রয়েছে।
৭. ফিরে আসা :
২০২৪ সালে ইনজুরি টাইমে সাত গোল করে দলকে সমতায় কিংবা জয় উপহার দিয়েছে খেলোয়াড়রা। ম্যাচগুলো হলো : লিপজিগ (২-৩), হফেনহেইম (২-১), কারাবাগ (২-২ ও ৩-২), অগাসবার্গ (০-১), স্টুটগার্ট (৩-২)।
৮. গ্রানিত জাকা :
২০ মিলিয়ন ইউরোতে আর্সেনাল থেকে লেভারকুসেনে আসা গ্রানিত জাকা আলোনসোর আস্থার জায়গায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শীর্ষ  লিগে সবচেয়ে বেশী পাস দেয়া খেলোয়াড় তিনি এবং একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে তিনি দলের মধ্যে নিজেকে প্রমান করেছেন।
৯. দ্য প্লেমেকার :
১৭ গোল ও ১৮ এ্যাসিস্ট করে লোরিয়ান রিটজ বায়ারের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড় হিসেবে এবারের মৌসুমে নিজেকে প্রমান করেছেন। গুরুতর ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠে  আবারো ফুটবলে একজন উজ্জ্বল তারকা হিসেবেই তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন।
১০. শক্তির গভীরতা :
জানুয়ারি পর্যন্ত আলোসনো তার একই মূল একাদশে আস্থা রেখেছিলেন। মৌসুমের শেষে এসে বদলী হিসেবে পিয়েরো হিনকেপি, রবার্ট এ্যানড্রিচ, ন্যাথান টেলা, প্যাট্রিক শিক দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat