ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-৩১
  • ৭২৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামীকাল থেকে উঠে যাবে সুন্দরবনে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা। তিনমাস বন্ধ থাকার পর পর্যটক ও জেলেদের জন্য খুলছে সুন্দরবনের দ্বার।
শরণখোলা রেঞ্জ সূত্র জানায়, সুন্দরবন কেন্দ্রীক বনের উপর নির্ভরশীল বরগুনার প্রায় ২ হাজার মৎস্যজীবী ও বনজীবী মানুষ আগামীকাল শুক্রবার থেকে পুনরায় জঙ্গলে ও নদীতে ঢুকবেন জীবিকার জন্য। সেই সঙ্গে পর্যটকরাও যেতে পারবেন বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বনে। ইতোমধ্যে জেলেরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য।
পর্যটক আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, সুন্দরবনের আকর্ষনীয় স্থান হচ্ছে সুপতি, কচিখালী, ডিমের চর, কটকা, বাদামতলা, টিয়ার চর, শেলার চর, দুবলার চর ও আলীবান্দাসহ বিভিন্ন এলাকা। পদ্মাসেতুর কারনে এখান থেকে কম সময় এবং কম খরচে সুন্দরবন ভ্রমনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সুন্দরবনের কেন্দ্রীক মৎস্য আড়তদার রাসেল হাওলাদার জানান, বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে ও মৎস্যজীবীদের তিনমাস কষ্টে ও মানবেতর জীবন-যাপন করতে হয়েছে। তাই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার সাথে-সাথে বন বিভাগ থেকে পারমিট নিয়ে তারা জীবিকার অন্বেষনে ছুটে যাবেন সুন্দরবনে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনের সব নদী-খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল বন বিভাগ। এই তিন মাস মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপাশি পর্যটকদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্লানিংয়ের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের সব নদী-খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে।
বরগুনার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ^জিত কুমার দেব জানান, মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে তিন মাস মাছ ধরা বন্ধ করায় সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালে প্রচুর মাছ পাওয়া যাবে।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহাবুব হাসান জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ ছিল সুন্দরবন প্রবেশের সকল পারমিট। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে জেলে ও পর্যটকদের জন্য পারমিট দেয়া হবে। এজন্য নির্ধারিত স্টেশনগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat