ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-০৯
  • ৩২৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার একটি নার্সারীর মালি আবুল হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 
আজ রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। 
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নার্সারী মালিক মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে লিটন এবং অপর মালি আনোয়ার হোসেন ওরফে আনারুল। আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে  জানা যায়, আবু তাহের নামে এক ব্যক্তি আসামি মুস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে বিমান বাহিনীর কুর্মিটোলায় ২২২ এম ইউ সংলগ্ন জায়গায় জমি লীজ নিয়ে একটি নার্সারী করেন। মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীর কর্মচারীদের নিয়োগ ও বেতন ভাতাসহ সব কিছু দেখাশোনা করতেন। ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯ টার দিকে মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীতে গিয়ে আবুল হোসেনকে দেখতে পাননি। অন্যান্য মালিদের কাছে আবুল হোসেনের কথা জিজ্ঞাসা করেন। 
তারা জানায়, আবুল হোসেন তার আত্মীয়কে দেখতে হাসপাতালে গেছেন। এর দু’দিন পর ৭ সেপ্টেম্বর সকালে আবুল হোসেনের মৃতদেহ এম ইউ বিল্ডিংয়ের অফিসের পেছনে ম্যান হলের মধ্যে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে আবু তাহের সেখানে নার্সারীতে যান। এর আগেই মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারী থেকে পালিয়ে গেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। নার্সারির অপর দুই মালি রবিউল ও আনোয়ারকে বিমান বাহিনীর লোকজন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। 
এ ঘটনায় আবু তাহের ৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ১১ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০০৩ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat