ব্রুনাইয়ে নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত অলোক অমিতাভ দিমরি বাংলাদেশ হাইকমিশনার নাহিদা রহমান সুমনার সাথে ব্রুনাইস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ হাইকমিশনার নবনিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ পরিদর্শন করেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সম্পর্কিত নানবিধ বইয়ের সমাহার দেখে ভারতের রাষ্ট্রদূত মুগ্ধ হন। তিনি অত্যন্ত আগ্রহের সাথে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’-এর দেয়ালে সাজিয়ে রাখা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও সংগ্রামের সাক্ষ্যবহনকারী ছবিগুলি দেখতে থাকেন এবং ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুকে একই ফ্রেমে দেখে আনন্দিত হন। বাংলাদেশ হাইকমিশনার বঙ্গবন্ধুর জীবন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সংগ্রাম, বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য তাঁর ইস্পাত-কঠিন প্রত্যয় ও পদক্ষেপ, সর্বোপরি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তাঁর অপরিসীম অবদান সম্পর্কে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শীভাবে বর্ণনা করেন।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অলোক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জনে এই ভাষণের অপরিসীম গুরুত্বের কথা গর্বের সাথে স্বীকার করেন। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীকে (স্থানঃ এলাহাবাদ, ভারত) একই ছবিতে দেখে তিনি উচ্ছসিত হন। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : এ্য পিকট্রোরিয়াল বায়োগ্রাফি, শীর্ষক একটি বই উপহার দেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন তাকে উপহার দেয়া হয়।
অভিনব পন্থায় ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’কে সুসজ্জিত করার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রশংসা করেন। আগামী ১৭ এপ্রিল ২০২২ তারিখে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠেয় বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।