ব্রেকিং নিউজ :
যমুনা থেকে ভোটদান চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার এবারের ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতির কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুই ক্র্যাচে ভর দিয়ে ভোট কেন্দ্রে রাজশাহীর বৃদ্ধা দুলোন জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে : ফারুক-ই-আজম ভোটারদের ইতিবাচক উৎসাহ ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছে ইইউ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছে : তথ্য উপদেষ্টা দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ : ইসি সচিব সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা : মৎস্য উপদেষ্টা আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভোট দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান মহা আনন্দের ও মুক্তির দিন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ : প্রধান উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-১৬
  • ৩১৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিআইজি মিজানুর রহমান কি দুদকের চাইতে ক্ষমতাশালী : আপিল বিভাগ

নিউজ ডেস্ক:-সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলেছেন, ডিআইজি মিজানুর রহমান কি দুদকের চাইতে ক্ষমতাশালী? তাহলে কেন তাকে দুদক গ্রেফতার করছে না? রবিবার অর্থ আত্মসাতের মামলায় হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামের জামিন শুনানিকালে এ কথা বলেন আদালত।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের উদ্দেশে আপিল বিভাগ বলেন, ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে দুদক পরিচালকের (এনামুল বাছির) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এটা আশঙ্কার কথা।

আপিল বিভাগ আরো বলেন, ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি রয়েছে। আবার ওই ঋণের বিপরীতের বন্ধকী সম্পত্তি ছাড়িয়ে নিতে ঋণখেলাপিরা হাইকোর্টে রিট করছে।

শুনানিকালে দুদক কৌশলী বলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্তে দুদকের নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জেসমিন ইসলাম হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান পদে থাকাকালে প্রায় ৮৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। তদন্ত শেষ না হওয়ায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছে, এটা কোনো জামিন মঞ্জুরের কারণ হতে পারে না।

এসময় আপিল বিভাগ জেসমিন ইসলামের জামিন বাতিল করে নিম্ন আদালতে চার সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বেশ কিছু অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান করছিলেন খন্দকার এনামুল বাছির। সেই অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এ বিষয়ে ডিআইজি মিজান দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের সঙ্গে ঘুষ সংক্রান্ত অডিও ফাঁস করেন।

এছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আছে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে প্রভাব খাটিয়ে গ্রেফতার এবং এক সংবাদ পাঠিকা ও এক নারী রিপোর্টারকে যৌন হয়রানির অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। পুলিশের নিয়োগ, বদলিতেও একসময় ভূমিকা রাখতেন তিনি। গ্রেফতার ও মামলা দিয়ে হয়রানি করে টাকা আদায়ের অভিযোগও আছে এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat