ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৩-০৬
  • ২৫৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গ্রামীন অর্থনীতি হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। দেশের ৭০ ভাগেরও বেশি মানুষ কৃষি অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ২০/৩০ বছর আগে শুধুমাত্র নগর কেন্দ্রিক ব্যাংকের শাখা থাকতো। আমাদের সরকার নিয়ম করে দিয়েছে, নতুন ব্যাংক খোলার ক্ষেত্রে অর্ধেক নগরে হলে বাকী অর্ধেক শাখা গ্রামীন এলাকায় হতে হবে। যাতে গ্রামের মানুষ ব্যাংকিং সুবিধা পায়। মন্ত্রী আজ দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এবি ব্যাংক লিমিটেডের আয়োজনে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের সভাপতিত্বে ঋণ বিতরণ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গনি ওসমানী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, এবি ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগের প্রধান ইফতেখার এনাম আউয়াল প্রমুখ।
ড. হাছান বলেন, রাঙ্গুনিয়া একটি বর্ধিঞ্চু জনপদ। এখানকার প্রায় এক লাখ মানুষ প্রবাসে থাকেন। তারা নিয়মিত রেমিটেন্স পাঠান। তারা রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকিং শাখাগুলোর মাধ্যমকেই বেছে নেন।
তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন এনজিও’র পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র  ঋণ দেয়া হতো। তারা মানুষকে এমন চাপ প্রয়োগ করতো তাতে অনেক ক্ষেত্রে ঋণ নেয়ার পর তিন-চারগুণ দেয়ার পরও শোধ হতো না। একারণে সারাদেশের অনেক জায়গায় ঋণ গ্রহিতাদের আত্মহত্যার খবর শোনা যায়। সেক্ষেত্রে তফসিলি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সাধারন মানুষ ও কৃষকের জন্য অনেক সহজ এবং এনজিওগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ভাল হবে। গ্রামীন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি ইতিবাচক হবে।
শেষে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার আট শতাধিক কৃষককে স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়। এরআগে ফিতা কেটে ইছাখালীস্থ আলম শাহ মার্কেটে এবি ব্যাংকের উপ-শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat