ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-০৭
  • ৫৭০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। 
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী হাসান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন। 
এরআগে গত ৪ নভেম্বর রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপ-পরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান। অন্যদিকে আসামিপক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে পিবিআই’র একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মোশাররফ হোসেনের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া। এ মামলায় নর্দান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহকে এরআগে গ্রেফতার করেছিল পিবিআই। রিয়াজুল আলম নামে আরেকজনকেও গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাজী এরতেজাকে গ্রেফতার করা হয়। 
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের জন্য দক্ষিণখান এলাকার আশিয়ান সিটির পাঁচ বিঘা জমি কেনার জন্য এজাহারভূক্ত আসামি আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম  ও সেলিম মুন্সীর উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  চুক্তিতে জমির দাম ৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ এ জমির ক্রেতা এবং বাকি দু’জন সাক্ষি হিসেবে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে ৮ মাসের মধ্যে সকল টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও তারা ৩০ কোটি টাকা দেন।  এরপর বাকি ২০ কোটি টাকা না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করেন এবং আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের জাল স্বাক্ষর দিয়ে দলিল করেন। তারা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করেছেন বলেও দাবি করেন। জাল দলিলে জমির দাম ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat