ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-২৮
  • ৮০৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অষ্টম আসরে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ  পেয়েছে  মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা।  এছাড়া  দলর  আরেক ওপেনার শাহজাদও হাফ সেঞ্চুরি  করেছেন।
আজ টুর্নামেন্টের দশম ম্যাচে ঢাকা ৯ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট সানরাইজার্সকে। তামিম অপরাজিত ১১১ রান করেন। সিলেটের ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার লেন্ডন সিমন্সও সেঞ্চুরি করেন। কিন্তু তামিমের সেঞ্চুরির কাছে ম্লান হয় সিমন্সের ১১৬ রান। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৫ রান করে সিলেট। জবাবে ১৭ ওভারে ১ উইকেটে ১৭৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে ঢাকা।
পাঁচ ম্যাচ শেষে দুই জয় ও তিনটি হার আছে ঢাকার। আর তিন ম্যাচে ১ জয় ও ২ হার সিলেটের।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ব্যাট হাতে শুরুতেই ঢাকার বোলারদের উপর চড়াও হন সিলেটের দুই ওপেনার সিমন্স ও এনামুল হক বিজয়। ৩৫ বল খেলে দলের স্কোর ৫০এ নিয়ে যান তারা।
১৬ বলে ১৮ রান করা এনামুলকে শিকার করে ঢাকাকে প্রথম উইকেট উপহার দেন পেসার এবাদত হোসেন। এরপর মিডল-অর্ডারে মোহাম্মদ মিঠুন ৬ ও দক্ষিন আফ্রিকার কলিন ইনগ্রাম শুন্য রানে বিদায় নেন। ইনগ্রামকে রানের খাতা খুলতে দেননি ঢাকার পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা।
৬৫ রানে ৩ উইকেট পড়লেও, ব্যাট হাতে মারমুখী মেজাজে ছিলেন সিমন্স। ৩৪ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৬০তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ইংল্যান্ডের রবি বোপারার সাথে চতুর্থ উইকেটে ৬৩ রান যোগ করেন সিমন্স। ১৩ রান করে আউট হন বোপারা। পঞ্চম উইকেটে সিলেটের অধিনায়ক মোসাদ্দেকের সাথে জুটি গড়ার সময় এবারের বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি পুর্ন করেন সিমন্স। ৫৯ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলেন তিনি। বিপিএলের ইতিহাসে ২২তম সেঞ্চুরিম্যান হন সিমন্স। ১৯তম ওভারে আউট হবার আগে ১১৬ রান করেন এই ডান-হাতি ব্যাটার। তার ৬৫ বলের ইনিংসে ১৪টি চার ও ৫টি ছক্কা ছিলো। সিমন্সের সেঞ্চুরিতেই ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৫ রান পায় সিলেট। মোসাদ্দেক অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে।
১৭৬ রানের জবাবে প্রথম ওভারেই উইকেট হারাতে বসেছিলো ঢাকা। তাসকিন আহমেদের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তামিম ইকবাল। জীবন পেয়ে সিলেটের বোলারদের উপর চড়াও হন তামিম। চার-ছক্কার ফুলঝুড়িতে পাওয়ার প্লেতেই হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ২৭ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪৩তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে  নেন তামিম।  
হাফ-সেঞ্চুরির পরও নিজের মারমুখী মেজাজ ধরে রেখেছিলেন তামিম। এতে নবম ওভারেই সেঞ্চুরিতে পৌঁছায় ঢাকার ইনিংস। আর দশম ওভারে ব্যক্তিগত  ৭৫ রানে  দু’বার জীবন পান তামিম।
তামিমের ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ের সামনে ঢাকা পড়েছিলেন আরেক ওপেনার আহমেদ শাহজাদ। যখনই স্ট্রাইকে গেছেন রানের গতি ধরে রেখে খেলেন তিনি। ১৫তম ওভারে হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান শাহজাদ। ৩৪তম বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২৬তম হাফ-সেঞ্চুরি পান শাহজাদ।
১৬ ওভার শেষে ঢাকার জিততে দরকার ছিলো ১৬ রান। তখন সেঞ্চুরি থেকে ৪ রান দূরে ছিলেন তামিম। আলাউদ্দিন বাবুর করা ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে লং-অফ দিয়ে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম। ৬১ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন তামিম। ২০১৯ সালে মিরপুরে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে সেঞ্চুরি করে ১৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন তামিম।
তামিমের সেঞ্চুরির পর ঐ ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন শাহজাদ। ৩৯ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৩ রান করেন  শাহজাদ। আর ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি দিয়ে ঢাকাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে  তামিম। ৬৪ বলে ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থেকে যান তামিম।
শাহজাদের সাথে উদ্বোধনী জুটিতে ১৭৩ রান করেন  তামিম। বিপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম সর্বোচ্চ ও উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
সিলেট সানরাইজার্স : ১৭৫/৫, ২০ ওভার (সিমন্স ১১৬, এনামুল ১৮, মাশরাফি ১/২৯)।
মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা : ১৭৭/১, ১৭ ওভার (তামিম ১১১*, শাহজাদ ৫৩, বাবু ১/৩২)।
ফল : মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা ৯ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : তামিম ইকবাল (মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা)।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat