ব্রেকিং নিউজ :
নীলফামারীতে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু কৃতী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে : চসিক মেয়র ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস-২০২৬ পালিত এলজিআরডির অব্যবহৃত ২০০ ভবন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে হাজং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিষ্পত্তি করার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমিনবাজারে বাস্তবায়িত হবে ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ’ প্রকল্প : জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-২০
  • ৭৮৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে আজ জননী সাহসিকা কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে ।মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সমস্ত প্রগতিশীল আন্দেলনে ভূমিকা পালনকারী কবি সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যদায় তার ইচ্ছানুযায়ী  তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানবাধিকার সংস্কৃতি  ফাউন্ডেশন আজ বিকাল তিনটায় অনলাইনে এক আলোচনাসভার আয়োজন করে।
এর আগে সকালে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট এর পক্ষ থেকে আজিমপুর কবরস্থানে কবির সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জোটের কার্যকরী সভাপতি শিল্পী রফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে আজিমপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুফিয়া কামাল  ১৯১১ সালের ২০ জুন বেলা ৩টায়  বরিশালের শায়েস্তাবাদস্থ রাহাত মঞ্জিলে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।
পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সঙ্গীত নিষিদ্ধের প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন। এ সময় তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন ও গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেন।
১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ কার্ফু উপেক্ষা করে নীরব শোভাযাত্রা বের করেন।
সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।
সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশী পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat