ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-১০
  • ৫৯৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বরখাস্ত উপপরিদর্শককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান বুধবার দুুপুরে এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুর্নীতির মামলায় বরখাস্ত এসআই নওয়াব আলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে। এই মামলায় ২০২০ সালের ৮ মার্চ নওয়াব আলীর স্ত্রী গোলজার বেগমকে কারাগারে পাঠায় আদালত।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৯২ সালে কনস্টেবল পদে যোগ দেন নওয়াব আলী। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আয় করলেও অর্জিত টাকার মালিক দেখান স্ত্রীকে। মাছ চাষ থেকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আয় করেছেন বলে কাগজপত্রে দেখালেও বাস্তবে মাছ চাষের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবুও দুজন কর কর্মকর্তা তার মাছের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেন।
দুদকে জমা দেয়া হিসাব বিবরণীতে গোলজার দাবি করেন, তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পশ্চিম ইছাখালীর মদ্দারহাটে হারেস আহমদ, আমিনুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, শওকত আকবরসহ সাতজনের সঙ্গে চুক্তি করে একটি জলমহাল ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেছেন।
তবে তদন্তে উঠে আসে, হারেস আহমদসহ যেসব ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি দেখানো হয়েছে, তারা ২০ বছর আগে মারা গেছেন। তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি।
এ ঘটনায় দুদক নওয়াব আলী, তার স্ত্রী গোলজার বেগম, কর অঞ্চল-১ চট্টগ্রামের সাবেক অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার বাহার উদ্দিন চৌধুরী ও কর পরিদর্শক দীপংকর ঘোষকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়।
নওয়াব আলীর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের কেকানিয়া এলাকায়। সেখানে তিনি ২০১৩ সালে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির ওপর একটি দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। এই বাড়িটি তার নামে আছে।
স্ত্রীর নামে চট্টগ্রামের সীতাকু- উপজেলার ছলিমপুরে ৩৫৪ শতক জমি, চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার এলাকায় পার্কিং এরিয়াসহ ১ হাজার ১০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, একই এলাকায় ৪ শতক জমি আছে। গোলজারের নামে একটি মাইক্রোবাসও আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat