ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৬-০৭
  • ৭৩১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর অবশেষে হারের মুখ দেখলো আবাহনী লিমিটেড। আজ বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টি লিগে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির কাছে ৮ রানে হেরেছে আবাহনী।
সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয় খেলাঘর। ৪ ওভারে দলকে ৪২ রানের সূচনা এনে দেন খেলাঘরের দুই ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন ও রাফসান আল মাহমুদ। এরমধ্যে ১২ বলে ১৮ রান করে ফিরেন রাফসান।
এরপর মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে ৪৬ বলে ৬২ রানের জুটি গড়েন ইমতিয়াজ। ২৫ বলে ৩৩ রান করে থামেন মিরাজ। তবে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ইমতিয়াজ। ১৬তম ওভারে ব্যক্তিগত ৬৬ রানে আউট হন তিনি। তার ৪৬ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন ইমতিয়াজ।
ইমতিয়াজের হাফ-সেঞ্চুরির উপর ভর করেই ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৪ রানের সংগ্রহ পায় খেলাঘর। আবাহনীর দুই স্পিনার আরাফাত সানি-মোসাদ্দেক হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্যে শুরুটা ভালো হয়নি আবাহনীর। ৩ ওভারে ১২ রানেই ২ উইকেট হারায় তারা। ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার ০ ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৮ রানে আউট হন।
শুরুর ধাক্কা তৃতীয় উইকেটে সামাল দেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৫৯ বলে ৮৫ রান যোগ করেন নাইম ও শান্ত। তবে ১৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আবাহনী।
লক্ষ্যে ডৌঁছতে শেষ ৩৩ বলে ৫২ রানের প্রয়োজন পড়ে আবাহনীর। দলের সেই প্রয়োজন মেটাতে পারেনি আবাহনীর মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। খেলাঘরের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংএর সামনে দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ হন মোসাদ্দেক ও আফিফ হোসেন।
মোসাদ্দেক ১৯ বলে অপরাজিত ২১ ও আফিফ ১৮ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন। খেলাঘরের রনি চৌধুরি-খালেদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ইমতিয়াজ।
৪ খেলায় ৩ জয় ও ১ হারে ৬ পয়েন্ট আবাহনীর। সমানসংখ্যক ম্যাচে ২টি করে জয়-হারে ৪ পয়েন্ট খেলাঘরের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat