ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৬-০৭
  • ৬৯৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর অবশেষে হারের মুখ দেখলো আবাহনী লিমিটেড। আজ বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টি লিগে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির কাছে ৮ রানে হেরেছে আবাহনী।
সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয় খেলাঘর। ৪ ওভারে দলকে ৪২ রানের সূচনা এনে দেন খেলাঘরের দুই ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন ও রাফসান আল মাহমুদ। এরমধ্যে ১২ বলে ১৮ রান করে ফিরেন রাফসান।
এরপর মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে ৪৬ বলে ৬২ রানের জুটি গড়েন ইমতিয়াজ। ২৫ বলে ৩৩ রান করে থামেন মিরাজ। তবে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ইমতিয়াজ। ১৬তম ওভারে ব্যক্তিগত ৬৬ রানে আউট হন তিনি। তার ৪৬ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন ইমতিয়াজ।
ইমতিয়াজের হাফ-সেঞ্চুরির উপর ভর করেই ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৪ রানের সংগ্রহ পায় খেলাঘর। আবাহনীর দুই স্পিনার আরাফাত সানি-মোসাদ্দেক হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্যে শুরুটা ভালো হয়নি আবাহনীর। ৩ ওভারে ১২ রানেই ২ উইকেট হারায় তারা। ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার ০ ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৮ রানে আউট হন।
শুরুর ধাক্কা তৃতীয় উইকেটে সামাল দেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৫৯ বলে ৮৫ রান যোগ করেন নাইম ও শান্ত। তবে ১৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আবাহনী।
লক্ষ্যে ডৌঁছতে শেষ ৩৩ বলে ৫২ রানের প্রয়োজন পড়ে আবাহনীর। দলের সেই প্রয়োজন মেটাতে পারেনি আবাহনীর মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। খেলাঘরের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংএর সামনে দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ হন মোসাদ্দেক ও আফিফ হোসেন।
মোসাদ্দেক ১৯ বলে অপরাজিত ২১ ও আফিফ ১৮ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন। খেলাঘরের রনি চৌধুরি-খালেদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ইমতিয়াজ।
৪ খেলায় ৩ জয় ও ১ হারে ৬ পয়েন্ট আবাহনীর। সমানসংখ্যক ম্যাচে ২টি করে জয়-হারে ৪ পয়েন্ট খেলাঘরের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat