ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৯-২২
  • ২৩৩৪৪৫২১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ২০২৪ সালে সুইডেনের ২৭৭টি হিমবাহের মধ্যে আটটি সম্পূর্ণভাবে গলে গিয়ে বিলীন হয়ে গেছে বলে সোমবার উত্তর সুইডেনের তারফালা রিসার্চ স্টেশনের প্রধান এএফপিকে জানিয়েছেন।

হিমবিজ্ঞান অধ্যাপক নিনা কির্চনার জানিয়েছেন, আরও ৩০টি হিমবাহ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

বিলীন হয়ে যাওয়া এসব হিমবাহ ‘আমাদের জীবদ্দশায় আর ফিরে আসবে না, আর বৈশ্বিক উষ্ণায়ন যদি চলতে থাকে, তবে কোনোদিনও নয়,’ তিনি এএফপিকে বলেন।

সুইডেনের সর্বোচ্চ চূড়া কেবনেকাইসে পাহাড়ের কাছে অবস্থিত তারফালা রিসার্চ স্টেশনের কির্চনার এবং তার সহকর্মীরা প্রতিবছর স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে দেশের হিমবাহগুলোর পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

‘২০২৫ সালের শুরুতে আমরা যখন ২০২৪ সালের আপডেট করতে বসি, তখন হিমবাহগুলো তাদের সবচেয়ে ছোট আকারে কবে ছিল তা দেখতে গিয়ে স্যাটেলাইট ছবিতে আটটি হিমবাহ খুঁজে পাইনি।’

‘প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কিছু ভুল করেছি বা কিছু বাদ পড়েছে,’ তিনি বলেন।

কিন্তু তথ্য আবার যাচাই করে তারা সিদ্ধান্তে আসেন, ‘আটটি হিমবাহই আর নেই।’

এসবের মধ্যে ছিল সুইডেনের উত্তরতম হিমবাহ কুনুজোকেলন, যা ভাডভেতজাক্কা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত।

আটটির মধ্যে সবচেয়ে বড়টির আয়তন ছিল প্রায় ছয়টি ফুটবল মাঠের সমান।

‘২০২৪ সাল ছিল অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ। তীব্র গরম এসব হিমবাহকে গ্রাস করেছে এবং তাদের বিলীন করেছে,’ বলেন কির্চনার।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, অন্তত ২০০০ সালের পর থেকে, যখন উচ্চ-রেজোলিউশনের স্যাটেলাইট ছবি পাওয়া শুরু হয়, তখন থেকেই এবারই প্রথম সুইডেনে কোনো হিমবাহ সম্পূর্ণভাবে বিলীন হলো।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্যানুযায়ী ২০২৪ ছিল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর।

শিল্পবিপ্লবের পর থেকে জ্বালানি হিসেবে কয়লা, তেল ও জীবাশ্ম গ্যাসের ব্যাপক ব্যবহার মানুষের সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ।

কির্চনার বলেন, প্রচুর তুষারপাত এবং স্বল্প ও তুলনামূলক ঠান্ডা গ্রীষ্মের কারণে তিনি আশা করছেন না যে ২০২৫ সালে সুইডেনের আর কোনো হিমবাহ বিলীন হয়ে যাবে।

‘কিন্তু সামনে আরও উষ্ণ গ্রীষ্ম আসবে, এবং আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে যে আরও (হিমবাহ) হারিয়ে যাবে,’ তিনি বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat