ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৫-১৭
  • ৪৫৫৪৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন যে বর্তমান পায়রা, মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরসহ পরিকল্পিত মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর ভারত, নেপাল, ভুটান ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার জন্য ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহায্য করতে পারে। তিনি আজ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি)’র দ্য সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) আয়োজিত ‘হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর: বাংলাদেশ, জাপান, ভারত- ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নতুন সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তৃতা করছিলেন। 
অনুষ্ঠানে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের প্রভাব বিষয়ে যৌথভাবে সানেম ও শিলং-ভিত্তিক ভারতীয় থিংক ট্যাংক এশিয়ান কনফ্লোয়েন্স পরিচালিত একটি সমীক্ষা উপস্থাপন করেন। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরে কার্যক্রম শুরু হলে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ১৪ শতাংশ বাড়বে এবং প্রায় লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। জাপান মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর বাস্তÍবায়ন করছে এবং পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে  বিনিয়োগ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক জাপান সফরকালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেইন সৃষ্টি এবং  মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে সংযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 
বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিাল গ্রোথ বেল্ট (বিআইজি-বি) উদ্যোগ অনুযায়ী, জাপান ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বেল্ট ও এর বাইরে উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা এবং সংযোগ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে শিল্প সমাবেশ ত্বরান্বিত করতে চায়। 
আলোচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি জাপান গত ৫০ বছরের মতোই বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকা- অব্যাহত রাখবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে তার নীতিতে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মুক্ত, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat