সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের ফলে দেশ আজ খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী আজ শুক্রবার ময়মনসিংহের ঢোলাদিয়া বিএডিসির সেচ কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলার ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভূমিকা ও ভবিষ্যত করণীয় শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এখন থেকে কোন কৃষি জমি পতিত ফেলে রাখা যাবে না একথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল ফলাতে হবে। ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে মাঠে যে সকল গভীর নলকূপ পড়ে রয়েছে সেগুলো পুনঃ খনন করে সেচের উপযোগী করা, সৌরশক্তি চালিত ডাগওয়েলের ব্যবহারকে প্রাধান্য দেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে যেসব জমিতে মাত্র একটি করে ফসল ফলানো হচ্ছে সেখানে তিনটি করে ফসল উৎপাদনে জোর দিতে হবে, এতে ফসল উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
বিএডিসি চেয়ারম্যান এএফএম হায়াতুল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদরুল আলম। মূল প্রবন্ধে প্রকল্প এলাকায় ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রতি, পটভূমি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএডিসি’র প্রধান কৌশলী (নির্মাণ) পরিতোষ কুমার কুন্ডু, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডঃ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিএডিসি’র ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাফর উরল্লাহ এবং প্রকৌশলী ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের স্টল পরিদর্শন করেন।