এছাড়াও নির্বাচনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সাধারণ কাউন্সিলর পদে জয় পেয়েছেন যারা:
৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিত্ত রঞ্জন দাস (ঠেলাগাড়ি)
৬ নম্বর সিরাজুল ইসলাম ভাট্টি (রেডিও)
৭ নম্বর শামসুল হুদা কাজল (ঠেলাগাড়ি)
১২ নম্বর মামুনুর রশিদ শুভ্র (লাটিম)
১৩ নম্বর এনামুল হক আবুল (ঘুড়ি)
২০ নম্বর ফরিদ উদ্দীন আহমেদ রতন (ঠেলাগাড়ি)
২২ নম্বর জিন্নাত আলী ( ঠেলাগাড়ি)
২৩ নম্বর মো. মকবুল হোসেন (রেডিও)
২৪ নম্বর মোকাদ্দেছ হোসেন জাহিদ (ঠেলাগাড়ি)
২৬ নম্বর হাসিবুর রহমান মানিক (রেডিও)
২৭ নম্বর ওমর উদ্দীন আফজাল (মিষ্টি কুমড়া)
২৮নং কামাল উদ্দীন কাবুল( মিষ্টি কুমড়া)
২৯ নম্বর জাহাঙ্গীর আলম (ঠেলাগাড়ি)
৩০ নম্বর ইরফান সেলিম (টিফিন ক্যারিয়ার)
৩১নং জুবায়ের আদেল (টিফিন ক্যারিয়ার)
৩২ নম্বর আবদুল মান্নান (লাটিম)
৩৩ নম্বর আওয়াল হোসেন( মিষ্টি কুমড়া)
৩৪ নম্বর মোহাম্মদ মামুন (ঝুড়ি)
৩৮ নম্বর আহমেদ ইমতেয়াজ মান্নাফী
৩৯ নম্বর রোকন উদ্দীন ( ব্যাডমিন্টন)
৪০ নম্বর আবুল কালাম আজাদ (ঘুড়ি)
৪১ নম্বর সারোয়ার হাসান আলো (ঝুড়ি)
৪২ নম্বর মো. সেলিম (টিফিন ক্যারিয়ার)
৪৪ নম্বর নিজাম উদ্দীন (রেডিও)
৪৯ নম্বর বাদল সরদার (ঘুড়ি)
৬৪ নম্বর মাসুদ রহমান মোল্লা (লাটিম)
৬৫ নম্বর শামসু উদ্দীন ভূইয়া (ব্যাডমিন্টন)
৬৬ নম্বর আবদুল মতিন সাউদ (লাটিম)
৬৭ নম্বর মো. ইব্রাহীম (লাটিম)
৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাহমুদুল হাসান (লাটিম)
এবং
৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে সালাউদ্দীন আহমেদ।
এর আগে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সকাল ৮টা থেকে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
নতুন পদ্ধতি এভিএম-এ ভোট দেয়ার বিষয়ে নগরবাসীর মধ্যে এক ধরনের কৌতুহল কাজ করেছে। সকালের দিকে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০। সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫টি।
এছাড়াও নির্বাচনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সাধারণ কাউন্সিলর পদে জয় পেয়েছেন যারা:
সাধারণ ২ নম্বর ওয়ার্ড: মো. সাজ্জাদ হোসেন।
সাধারণ ৩ নম্বর ওয়ার্ড: কাজী জহিরুল ইসলাম।
সাধারণ ৫ নম্বর ওয়ার্ড: আবদুর রউফ।
সাধারণ ২৩ নম্বর ওয়ার্ড: মো শাখাওয়াত হোসেন।
সাধারণ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড: মো শফিউল্লাহ।
সাধারণ ২৫ নম্বর ওয়ার্ড: আবদুল্লাহ আল মনজুর।
সাধারণ ৩০ নম্বর ওয়ার্ড: মুক্তান সরদার।
সাধারণ ৩১ নম্বর ওয়ার্ড: মো. শফিকুল ইসলাম ।
সাধারণ ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড: আসিফ আহমেদ।
সাধারণ ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড: শেখ মুহাম্মদ হোসান।
সাধারণ ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড: তৈমুর রেজা।
সাধারণ ৭ নম্বর ওয়ার্ড: মো. তোফাজ্জেল হোসেন।
সাধারণ ৮ নম্বর ওয়ার্ড: মো আবুল কাশেম
সাধারণ ২৬ নম্বর ওয়ার্ড: শামিম হাসান।
সাধারণ ২৭ নম্বর ওয়ার্ড: ফরিদুর রহমান খান।
সাধারণ ২৮ নম্বর ওয়ার্ড: মো ফোরকান হোসেন।
সাধারণ ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড: শফিকুল ইসলাম ভূই্রযা।
সাধারণ ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড: মো শফিকুল শফিক।
সাধারণ ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড: জয়নাল আবদীন।
সাধারণ ২৯ নম্বর ওয়ার্ড: সলিমুল্লাহ সলু।
সাধারণ ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড: আবুল কাশেম।
সাধারণ ৩২ নম্বর ওয়ার্ড: সৈয়দ হাসান নুর।
সাধারণ ২ নম্বর ওয়ার্ড: মো. সাজ্জাদ হোসেন।
সাধারণ ৩ নম্বর ওয়ার্ড: কাজী জহিরুল ইসলাম।
সাধারণ ৫ নম্বর ওয়ার্ড: আবদুর রউফ।
সাধারণ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড: মো শফিউল্লাহ।
সাধারণ ২৫ নম্বর ওয়ার্ড: আবদুল্লাহ আল মনজুর।
সাধারণ ৩০ নম্বর ওয়ার্ড: মুক্তান সরদার।
এর আগে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। শনিবার সকাল ৮টা থেকে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
এরপর সারাদিন ভোট গ্রহণ শেষে রাত পৌনে ১টায় চূড়ান্ত ফল ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
১১৫০ কেন্দ্রের বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে তাপস পেয়েছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট।
এই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ছিলেন মোট ৭ জন। অন্যদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫২৫ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৯৩ ভোট। গণফ্রন্টের প্রার্থী আবদুস সামাদ সুজন মাছ প্রতীকে ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট পেয়েছেন। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আক্তারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ ডাব প্রতীকে ২ হাজার ৪২১টি ভোট পেয়েছেন। আর ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. বাহারানে সুলতান বাহার আম প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৫ ভোট।