ব্রেকিং নিউজ :
যুগপৎ আন্দোলনের সাথীদের নিয়েই সরকার গঠন করবে বিএনপি : মির্জা ফখরুল গণভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ, ‘হ্যাঁ’ জিতেছে লক্ষীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. শাহাদাত হোসেন হবিগঞ্জ-৩ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জি কে গউছ তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন সুষ্ঠু ও শতভাগ নিরপেক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করবে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ বিজয় মিছিলে ‘না’, জুমার পর বিশেষ মোনাজাতের নির্দেশ তারেক রহমানের সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে কোন দল কত আসন পেল ভোলায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১০-১৭
  • ৪১৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
‘ওটা আমাদের সীমান্ত নয়, সিরিয়ায় তুরস্কের অভিযানও আমাদের সমস্যা নয়

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহার করে তুরস্ককে সেখানকার কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন বলে আগে থেকেই অভিযোগ শুনে আসছিলেন। সেই অভিযোগ পাত্তা না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার বরং একেবারে ‘নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে’ বললেন, ‘ওটা আমাদের সীমান্ত নয়। সিরিয়ায় তুরস্কের অভিযানও আমাদের সমস্যা নয়।’

বুধবার (১৬ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। তুরস্কের অভিযান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্বাপর পদক্ষেপ ঘিরে নানা মুখরোচক আলোচনার মধ্যে প্রেসিডেন্টের এ বক্তব্য আরও রহস্য তৈরি করেছে বিশ্লেষক মহলে।কুর্দি বিদ্রোহীদের সশস্ত্র সংগঠন পিকেকে-কে সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা অনেক দেশ ও সংগঠন। তুরস্ক মনে করে, পিকেকে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের সিরিয়া সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় তুরস্কের অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা (বিচ্ছিন্নতাবাদ কায়েম) চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে সীমান্তের ওপাশের সিরিয়ান কুর্দিদের সশস্ত্র সংগঠন ওয়াইপিজিকেও পিকেকে’র অংশ মনে করে তুরস্ক। আবার ওয়াইপিজিকে তুরস্কের মতো করে দেখে না যুক্তরাষ্ট্র। বরং সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ বাঁধার পর আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আসা যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় যে এসডিএফ জোটের সহায়তা পেয়েছে, সেই জোটের অংশ এই ওয়াইপিজি। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায়ই ওয়াইপিজিসহ এসডিএফ জোট আইএসকে সিরিয়ার ওই অঞ্চল থেকে হটিয়েছে।ওয়াইপিজির মাথার ওপর ছায়া হয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ওই অঞ্চল থেকে নিজেদের সৈন্যদের সরিয়ে নিলে তাদের শক্ত অবস্থান ভেঙে দিতে গত ৯ অক্টোবর ‘অপারেশন পিস স্প্রিং’ শুরু করে তুরস্ক। কুর্দি যোদ্ধাদের এভাবে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের হুট করে চলে যাওয়ার বিষয়ে সমালোচনা শুরু হয় ঘরে-বাইরে সবখানে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এ সংক্রান্ত নিন্দা প্রস্তাবে খোদ ট্রাম্পের দলীয় অনেকেও ভোট দেন।এতে খানিকটা বিরক্তি ঝেড়ে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কোনো পুলিশিং এজেন্ট নয় (যে কাউকে দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা দিয়ে আসবে)। এখন আমাদের ঘরে ফিরতে হবে।’ তিনি তুরস্কের অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, ‘সীমান্তে তাদের সমস্যা রয়েছে। এটা আমাদের সীমান্ত নয়। তাই সেখানে আমাদের প্রাণ হারাতে থাকা উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছে। তারা এখন নিরাপদ। তারা সেখানকার পরিস্থিতি সমাধান করে চলেছে, সম্ভবত লড়াই ছাড়াই তারা তা করতে পারবে।’তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘কৌশলগতভাবে দুর্দান্ত’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দেখছি, সমঝোতা করছি এবং তুরস্ক যেন ঠিকঠাক কাজটা করে সে চেষ্টা চালাচ্ছি। কারণ আমরা নিঃস্বার্থভাবে যুদ্ধ-সংঘাত বন্ধ করতে চাই।’সিরিয়ার ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র এতদিন আইএসের হয়ে লড়াইয়ের কথা বলে এলেও তাদের তৎপরতা প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদবিরোধী বলে মনে করা হচ্ছিল। ট্রাম্প তার সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ায় সেই আসাদের সরকারের সঙ্গেই চুক্তি করে তার বাহিনীকে সীমান্তে ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে আসা কুর্দি যোদ্ধারা।এতে অসন্তোষ ঢেকে না রেখে ট্রাম্প বলে ফেলেন, ‘কুর্দিরা ফেরেশতা নয়। তারা আমাদের সঙ্গে মিলে লড়াই করেছিল। সেজন্য আমরা বহু অর্থ খরচাও করেছি, সেটা ঠিক আছে। তারা যখন আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিল, তখন ভালো করেছিল। যখন তারা আমাদের সঙ্গে আসেনি, তখন খুব ভালো করেনি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat