ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-১৬
  • ৩৭১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক:- ফেনীর নুসরাত হত্যার ঘটনায় সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে রোববার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এর আগে, গত ১৭ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। এরপর থেকেই পলাতক রয়েছেন সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার কয়েক দিন আগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থানায় এলে তাকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে এবং তা ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ওসি মোয়াজ্জেম। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক। গত ১০ এপ্রিল সোনাগাজী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয় মোয়াজ্জেম হোসেনকে। পরে গত ১২ মে তিনি রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে যোগদান করেন। ২৭ মে আদালতের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ওই দিনই সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসলাম জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দুই দিন পরে আদালতে জামিন আবেদনও করেছিলেন। তবে তখন থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

পিবিআইয়ের তদন্তে থেকে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল সকালে শাহাদত হোসেন শামীম, নুর উদ্দিন ও হাফেজ আব্দুল কাদের মাদ্রাসায় আসে এবং পরিকল্পনা মতো যার যার অবস্থানে যায়। শাহাদত হোসেন পলিথিনে করে আনা কেরোসিন তেল ও অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে থেকে আনা গ্লাস নিয়ে ছাদের বাথরুমের পাশে রেখে দেয়। কামরুন্নাহার মনি তিনটি বোরকা ও চার জোড়া হাত মোজা নিয়ে সাইক্লোন সেন্টারের তৃতীয় তলায় রাখে। শাহাদত হোসেন শামীম, জাবেদ ও জোবায়ের সাড়ে ৯টার দিকে বোরকা ও হাত-মোজা পরিধান করে সেখানে অবস্থান নেয়।

নুসরাত পরীক্ষা দিতে এলে পরিকল্পনা মতো উম্মে সুলতানা পপি নুসরাতকে তার বান্ধবীকে মারধরের কথা বলে। নুসরাত দৌড়ে ছাদে যেতে থাকে। দ্বিতীয় তলায় পৌঁছালে পপি নুসরাতকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে বলে ও ভয় দেখায়। নুসরাত মামলা তুলবে না বলতে বলতে ছাদে উঠলে কামরুন্নাহার মনি, শাহাদত হোসেন শামীম, জোবায়ের ও জাবেদ নুসরাতের পিছনে ছাদে যায়। সেখানে তারা নুসরাতকে একটি কাগজে স্বাক্ষর দিতে বললে নুসরাত অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদত হোসেন শামীম বাম হাত দিয়ে নুসরাতের মুখ চেপে ধরে ও পপিকে বলে নুসরাতের বোরকার মধ্য থেকে ওড়না নেওয়ার জন্য।

পপি ওড়না নিয়ে জুবায়েরকে দেয়। জুবায়ের ওড়নার এক অংশ দিয়ে পা বাঁধে ও পপি হাত বাঁধে। এরপর পপি, মনি ও শামীম তাকে শুইয়ে ফেলে। আর জাবেদ কেরোসিন ঢালে নুসরাতের শরীরে। শামীমের ইঙ্গিতে জুবায়ের তার কাছে থাকা দেয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যায়। শামীম জবানবন্দিতে বলেছে, নুসরাতের মুখ ও পা চেপে ধরায় সে সব স্থানে কেরোসিন দেওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat