ব্রেকিং নিউজ :
রাঙ্গামাটিতে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস সম্পন্ন জুলাই-জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়েছে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সচিবের কবিতার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে আন্দোলন করে লাভ হবে না : প্রধানমন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর জ্বালায় ভুগছে : সেতুমন্ত্রী কোমর ভাঙলেও বিএনপির ষড়যন্ত্র থেমে নেই : তথ্যমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রতিবাদী হওয়া প্রয়োজন : খাদ্যমন্ত্রী টিসিসির সভায় শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে এসওপি চূড়ান্ত অনুমোদন বাংলাদেশের চার মূলীনীতি অস্বীকার করে বিএনপি রাজনীতি করে : মতিয়া চৌধুরী দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
  • আপডেট টাইম : 01/01/1970 06:07 PM
  • 738 বার পঠিত

ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

১. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. আদা

আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ  প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

৩. নিম

নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. মধু

মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

৫. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...