ব্রেকিং নিউজ :
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা বরিশালে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঢাক তৈরি কারিগররা নোয়াখালীতে বজ্রপাতে এক গৃহবধূর মৃত্যু সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নাসির উদ্দিন খাঁন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ধর্মকে জীবন থেকে আলাদা করা যায়না : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিদলের তুরষ্ক সফর ফিদে ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ অনূর্ধ্ব-১৬ দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশির সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ৯ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় দেশ : প্রধানমন্ত্রীর
  • আপডেট টাইম : 01/01/1970 02:07 AM
  • 602 বার পঠিত

ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

১. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. আদা

আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ  প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

৩. নিম

নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. মধু

মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

৫. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...