ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘসূত্রিতা, অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে তৈরি হও : নতুন প্রজন্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বন্যার্ত মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাঠে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ সময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারলে প্রতিষ্ঠান দ্রুত এগিয়ে যাবে : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা অর্জনে উন্নত প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই : বিএসএমএমইউ উপাচার্য সেবা নিতে এসে একজনও যেন বিমুখ না হন : শিক্ষামন্ত্রী টিপু হত্যা : শুটার মুসার দায় স্বীকার এসএমই খাতকে শক্তিশালী করতে সরকার সহযোগিতা দিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী প্রথম ৮ ঘন্টায় ১৫ হাজার ২০০ যানবাহন পারাপার
  • আপডেট টাইম : 20/06/2022 07:00 PM
  • 4 বার পঠিত

বাংলাদেশের জাতীয় স্লোাগান ‘জয় বাংলা’র সঙ্গে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ শব্দযুগল অন্তর্ভুক্ত করতে গেজেট সংশোধনে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশ প্রদানকারী সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল বিষয়টি আজ নিশ্চিত করে জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে গেজেট সংশোধন করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে ‘জয় বাংলা’র সঙ্গে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’কে জাতীয় স্লোগানে অন্তর্ভুক্ত করে সংশোধিত গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যখনই ‘জয় বাংলা’ উচ্চারিত হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ উচ্চারিত হয়েছে। স্বাধীনতার জন্য এ স্লোগান ছিল উৎসাহমূলক। জয় বাংলা আর জয় বঙ্গবন্ধু একটিই স্লোগান; এটি পৃথক কোনো স্লোগান নয়। নোটিশ পাওয়ার পরে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলে এর প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে নোটিশ দাতাগণ জানান।
গত ২ মার্চ ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব শফিউল আজিমের স্বাক্ষরিত গত ২ মার্চের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি, দেশ ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সব জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় বা সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন। এছাড়া সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ (অ্যাসেম্বলি) শেষে এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। রুল শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১০ মার্চ হাইকোর্ট  এক রায়ে ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে রায় দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...