ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৪-০২
  • ৫৪৬৬৮২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পাকিস্তান বৃহস্পতিবার বলেছে, আফগানিস্তানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর দায় মূলত কাবুলের ওপরই বর্তায়। দুই দেশের মধ্যে বৈরিতা কমাতে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা চলার মধ্যেই এ মন্তব্য করা হয়।

পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে এমন উগ্রবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে, যারা সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালাচ্ছে। এ নিয়েই দুই প্রতিবেশী ও একসময়ের মিত্র দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।

ইসলামাবাদ থেকে এএফপি জানায়, চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শহর উরুমকিতে বুধবার থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বেইজিং সফরে গিয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে বৈঠক করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির হোসেন আন্দ্রাবি বলেন, সরকার একটি ‘টেকসই সমাধান’ প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, ‘এই আলোচনায় আমাদের অংশগ্রহণ আমাদের মূল উদ্বেগগুলো পুনর্ব্যক্ত করে। তবে প্রকৃত অগ্রগতির দায় আফগানিস্তানের ওপর, যারা তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নেবে।’

তিনি এসব আলোচনাকে ‘কার্যপর্যায়ের আলোচনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, আলোচনা এখনো চলছে।

কূটনৈতিক তৎপরতা ও মধ্যস্থতা

পাকিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়েও সক্রিয় কূটনীতি চালাচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় আনতে চেষ্টা করছে।

চীন পাকিস্তানের এই উদ্যোগকে সমর্থন করছে এবং একই সঙ্গে আফগানিস্তান সংকট সমাধানেও ভূমিকা রাখছে। বেইজিং ইতোমধ্যে কাবুলে একজন বিশেষ দূত পাঠিয়েছে সমঝোতার চেষ্টা চালাতে।

যুদ্ধবিরতি ও চলমান উত্তেজনা

গত মাসে রমজান শেষে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের আহ্বানে দুই দেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল।

তবে সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় বিচ্ছিন্ন হামলার খবর পাওয়া গেছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার তাদের ভূখণ্ডে উগ্রবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে সৌদি আরব ও কাতার উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করলেও এবং গত নভেম্বরে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat