ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-০৯
  • ৩৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার একটি নার্সারীর মালি আবুল হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 
আজ রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। 
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নার্সারী মালিক মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে লিটন এবং অপর মালি আনোয়ার হোসেন ওরফে আনারুল। আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে  জানা যায়, আবু তাহের নামে এক ব্যক্তি আসামি মুস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে বিমান বাহিনীর কুর্মিটোলায় ২২২ এম ইউ সংলগ্ন জায়গায় জমি লীজ নিয়ে একটি নার্সারী করেন। মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীর কর্মচারীদের নিয়োগ ও বেতন ভাতাসহ সব কিছু দেখাশোনা করতেন। ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯ টার দিকে মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীতে গিয়ে আবুল হোসেনকে দেখতে পাননি। অন্যান্য মালিদের কাছে আবুল হোসেনের কথা জিজ্ঞাসা করেন। 
তারা জানায়, আবুল হোসেন তার আত্মীয়কে দেখতে হাসপাতালে গেছেন। এর দু’দিন পর ৭ সেপ্টেম্বর সকালে আবুল হোসেনের মৃতদেহ এম ইউ বিল্ডিংয়ের অফিসের পেছনে ম্যান হলের মধ্যে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে আবু তাহের সেখানে নার্সারীতে যান। এর আগেই মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারী থেকে পালিয়ে গেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। নার্সারির অপর দুই মালি রবিউল ও আনোয়ারকে বিমান বাহিনীর লোকজন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। 
এ ঘটনায় আবু তাহের ৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ১১ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০০৩ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat