ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৯-০৫
  • ৪০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আজিমপুর ও মতিঝিল এলাকায় বিশ হাজার কর্মকর্তাদের বসবাসের মাস্টার প্লান প্রণয়ন করা হচ্ছে
নিজস্ব প্রতিনিধি:-বর্তমানে আজিমপুর কোয়ার্টার্সে প্রায় এক হাজার আটশত এবং মতিঝিল এলকায় দুই হাজার আটশত পরিবার বসবাস করে। আজিমপুর ও মতিঝিল এলাকার মাস্টার প্লান প্রণয়ন করা হচ্ছে। মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত করা হলে এই দুই এলাকায় প্রায় বিশ হাজার কর্মকর্তা বসবাস করার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। একই সাথে এসব এলাকায় উন্মুক্তস্থানের পরিমাণ বাড়বে এবং জলাশয় ও খেলার মাঠসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা যাবে। আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারে যোগদানকৃত নবীন কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহরে বসবাসকারী শতকরা আটভাগ কর্মকর্তা সরকারি আবাসন সুবিধা পান। এ সুবিধা ৪০ ভাগে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর আগের তুলনায় অনেক গতিশীল হয়েছে। একইসাথে এ অধিদপ্তরের সক্ষমতা ও দক্ষতা বেড়েছে। আগে বিভিন্ন সরকারি আবাসিক ভবন সাধারণত পাঁচ-ছয়তলা করা হতো। এখন এসব ভবন ২০ তলা করা হচ্ছে। মন্ত্রী আরো বলেন, যে জাতি স্বপ্ন দেখতে জানে না, সে জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে স্বাধীন করার সাথে সাথে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেই লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় নবীন কর্মকর্তাদের আত্মনিয়োগ করতে হবে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকারের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আখতার হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী মো. রাফিকুল ইসলাম, প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন । অনুষ্ঠানে দু’জন নবীন কর্মকর্তা তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে গণপূর্ত ক্যাডারে মোট ২৭জন কর্মকর্তা যোগদান করলেন। এরমধ্যে ১৯জন সিভিল এবং আট জন ইলেক্ট্রিক্যাল শাখায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat