ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-২৮
  • ৭৮৯৫১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর (সংশোধিত ২০২২ সালে) বিধি ৩৬১ক (২) এর বৈধতা প্রশ্নে কারণ দর্শাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। 
রিটের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার কাজী মারুফুল আলম আদালতের আদেশের বিষয়টি জানান। দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর (সংশোধিত ২০২২ সালে) বিধি ৩৬১ক (২) এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ফ্লাড) এর পক্ষে সংগঠনের সেক্রেটারি হাসিন রশিদ রিটটি দায়ের করেন। 
রিটে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৫ জনকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি থেকে নারী-মেয়ে শিশুদের রক্ষার্থে উপযুক্ত নীতিমালা তৈরির বিষয়ে একটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। ওই রিটের ওপর ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। সেই রায়ে দেশের সব প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বেশকিছু নির্দেশনা দিয়ে রায়ে বলা হয়েছিল-প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠিত হবে। যার মধ্যে ২ জনকে প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অথচ সেই রায় অনুসরণ না করে ২০২২ সালে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর সংশোধন করা হয়। এই সংশোধিত আইনের বিধি ৩৬১ক (২)- বলা হয়, ‘প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে অন্যূন ৫ সদস্যবিশিষ্ট যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ে অভিযোগ কমিটি গঠন করতে হবে, যার প্রধান হবেন একজন নারী এবং কমিটিতে প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ নারী প্রতিনিধি থাকবেন।’ অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে ২ জন সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির যে রায় রয়েছে, তা এই সংশোধনী বিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে কোনও ভুক্তভোগীর সঠিক বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাই রিটে এই বিধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat