ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-১৯
  • ১০২২৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনিসেফ শুক্রবার কঙ্গোর গোলযোগপূর্ণ উত্তর-কিভু প্রদেশে শিশুদের কলেরার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। অনুমান করা হচ্ছে এই বছর পাঁচ বছরেরও কম বয়সী ৮ হাজারের বেশি শিশু কলেরায় আক্রান্ত হয়েছে।
গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটি সংঘাতে জর্জরিত। একারণে বিপুল সংখ্যাক জনসংখ্যা বাস্ত্যুচ্যুত হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের পরিসংখ্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউনিসেফ ২০২৩ সালে দেশব্যাপী ৩১,৩৪২ জন শিশুর কলেরায় আক্রান্তের খবর নিশ্চিত করেছে। আক্রান্তদের মধ্যে কেবলমাত্র গোলযোগপূর্ণ কিভু-প্রদেশেই ২১ হাজার ৪শ’ শিশু রয়েছে।
গোমায় অবস্থিত ইউনিসেফের সিনিয়র জরুরী সমন্বয়কারী শামেজা আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘কলেরা প্রাদুর্ভাবের ধ্বংসাত্মক যে হুমকি দিচ্ছে তার বিপদের ঘন্টা বাজানো উচিত।’
আবদুল্লাহ বলেন, ‘যদি পরের মাসের মধ্যে জরুরি পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে কলেরা এমন কিছু অংশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেসব এলাকায় বহু বছর ধরে কলেরার প্রাদুর্ভাব ছিলনা।
ইউনিসেফ বলেছে, উত্তর-কিভুতে এই বছর পাঁচ বছরের কম বয়সী ৮,০০০ এরও বেশি শিশু কলেরায় আক্রান্ত হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় ছয় গুণেরও বেশি।
২০১৭ সালের এই রোগের মহামারী রাজধানী কিনশাসাসহ দেশের বিশাল অংশকে প্রভাবিত করেছে। এসময় প্রায় ৫৫ হাজার শিশু আক্রান্ত হয় এবং ১১শ’ জনেরও বেশি মারা যায়।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন গত জুনে বলেছে, এই বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে সংঘাতের কারণে পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১০ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইউনিসেফ বলেছে, যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছিল তাদের আশ্রয় দেয়ার ধারণ ক্ষমতা শরণার্থী শিবিরগুলোর ছিলনা এবং খারাপ পরিস্থিতি কলেরার বিস্তারকে সহজতর করছে।
সংস্থাটি এই রোগের বিস্তার রোধে ও প্রতিক্রিয়া কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে ৬২.৫ মিলিয়ন তহবিলের জন্য আবেদন করেছে। কারণ, সংস্থাটি বছরের শেষ নাগাদ এক মিলিয়ন শিশুসহ ১.৮ মিলিয়ন লোকের কাছে পৌঁছাতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat