ব্রেকিং নিউজ :
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও পারদর্শী করে গড়ে তুলতে চাই : শিক্ষামন্ত্রী সিংড়ায় জিয়া পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সিরাজগঞ্জে অনুদানের চেক বিতরণ মাদারীপুরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-০৯
  • ৩৫১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার একটি নার্সারীর মালি আবুল হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 
আজ রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। 
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নার্সারী মালিক মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে লিটন এবং অপর মালি আনোয়ার হোসেন ওরফে আনারুল। আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে  জানা যায়, আবু তাহের নামে এক ব্যক্তি আসামি মুস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে বিমান বাহিনীর কুর্মিটোলায় ২২২ এম ইউ সংলগ্ন জায়গায় জমি লীজ নিয়ে একটি নার্সারী করেন। মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীর কর্মচারীদের নিয়োগ ও বেতন ভাতাসহ সব কিছু দেখাশোনা করতেন। ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯ টার দিকে মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারীতে গিয়ে আবুল হোসেনকে দেখতে পাননি। অন্যান্য মালিদের কাছে আবুল হোসেনের কথা জিজ্ঞাসা করেন। 
তারা জানায়, আবুল হোসেন তার আত্মীয়কে দেখতে হাসপাতালে গেছেন। এর দু’দিন পর ৭ সেপ্টেম্বর সকালে আবুল হোসেনের মৃতদেহ এম ইউ বিল্ডিংয়ের অফিসের পেছনে ম্যান হলের মধ্যে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে আবু তাহের সেখানে নার্সারীতে যান। এর আগেই মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারী থেকে পালিয়ে গেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। নার্সারির অপর দুই মালি রবিউল ও আনোয়ারকে বিমান বাহিনীর লোকজন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। 
এ ঘটনায় আবু তাহের ৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ১১ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০০৩ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat