ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৪-২৪
  • ১৫৭৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতিসংঘের সাবেক প্রধান বান কি-মুন মিয়ানমারে পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সোমবার এ খবর জানিয়েছে। দেশটিতে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এই সফর করছেন।
আন্তর্জাতিক সমালোচনা উপেক্ষা করে জান্তা সরকারের ভিন্নমতের উপর নৃশংস দমন-পীড়ন চালানো এবং বিরোধীদের সাথে আলাপ-আলোচনার বিষয় প্রত্যাখ্যান করায় দেশটির সামরিক বাহিনীর ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের ফলে সৃষ্ট সংকট অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়েছে।
মিয়ানমারের মিডিয়া শান্তি প্রচেষ্টা এবং সংঘাত নিরসনে কাজ করার লক্ষ্যে নেলসন ম্যান্ডেলা প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব নেতাদের ‘দ্য এল্ডারস’ গ্রুপের সদস্য বানের সফর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। খবর এএফপি’র।
রাষ্ট্র পরিচালিত  গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, বান ও তার দল গতকাল সন্ধ্যায় বিমানযোগে নেপিডো পৌঁছেছেন। বিস্তারিত উল্লেখ না করে খবরে বলা হয়, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী তার সাথে দেখা করেছেন।
রাষ্ট্র-চালিত টিভিতে একটি বুলেটিনে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাসহ বানকে বিমানবন্দরে আসার সময় তাঁকে ক্যামেরার দিকে হাত নাড়তে দেখা গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারি বান জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালে একাধিকবার মিয়ানমার সফর করেছেন। তিনি জেনারেলদের সাথে আলোচনায় বিভিন্ন মাত্রায় সাফল্যও পেয়েছেন।
২০০৯ সালে তিনি অং সান সু চিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তৎকালীন জান্তা নেতা থান শোয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করতে গেলে সেই জেনারেল নির্লজ্জভাবে গণতন্ত্রপন্থী এই ব্যক্তিত্বের সাথে বানের দেখা করার প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দেন।
২০১৬ সালে, সু চি জেল থেকে বের হয়ে মিয়ানমারের প্রকৃত বেসামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।
২০২১ সালের অভ্যুত্থানের শুরুতে সু চিকে আবার আটক করা হলে দেশটি পুনরায় অস্থিরতায় নিমজ্জিত হয় এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat