ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২২-১২-১৯
  • ২৭১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র (কয়লাভিত্তিক মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট) শনিবার রাতে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। এর মধ্যমে ইউনিট-১ থেকে জাতীয় গ্রিডে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে।
এর আগে, গত ১৫ আগস্ট প্রতিটি ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি (১৩২০ মেগাওয়াট) মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্পের একটি ইউনিট-১ সফলভাবে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এটি তখন জাতীয় গ্রিডে ৯১.৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা আজ বাসসকে জানান, ২০২৩ সালের জুনে ইউনিট-২ থেকে জাতীয় গ্রিড আরও ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করা হবে।
বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ একরাম উল্লাহ বলেন, শনিবার রাত থেকে ইউনিট-১-এর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে, আমরা বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছি। এরই মধ্যে সব ধরনের কারিগরি কাজ শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আনুমানিক ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত, এই প্রকল্পের দুটি ইউনিট (প্রতিটি ৬৬০ মেগাওয়াট) থেকে মোট ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।
প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বলেন, প্রথম ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের ৭৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে।
৬৬০ মেগাওয়াটের ২টি (১৩২০) মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্রায় ২.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে স্থাপন করা হচ্ছে এবং এটি খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
প্রায় ৯১৫.৫ একর জমির উপর অবস্থিত এই প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত শতভাগ বিদ্যুৎ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ করা হবে। এই প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ প্রেরণ ও বিতরণের জন্য, কারখানা থেকে খুলনা পর্যন্ত ২৩০ কেভি ডাবল সার্কিট লাইন এবং গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট লাইন নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat