ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২২-১২-১৮
  • ২৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের একার নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি।
আজ রোববার সকালে সিলেট নগরীর ধোপাদিঘিরপাড়স্থ হাফিজ কমপ্লেক্সে  আল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে হুইল চেয়ার ও সেলাই মেশিন বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে শুধু বাংলাদেশের একার কাজ না- বরঞ্চ বিশ্বের মোড়ল হিসেবে পরিচিত দেশগুলোরও এ বিষয়ে দায়িত্ব আছে। তবে সেক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। আর এতে করেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে।
ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা মায়ানমার শুরু করেছে, এর সমাধানও তাদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। মন্ত্রী সমালোচকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গাদের পেছনে প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে। বন্ধুরাষ্ট্রগুলোও সাহায্য করছে, তবে সবচেয়ে বেশি করছে বাংলাদেশ। তারপরও কিছু লোক সমালোচনা করে। তাদের নিজেদের কিছু করার মুরোদ নাই, কিন্তু খুঁত বের করায় ওস্তাদ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গা ক’দিন পরে পরে আমাদের দেশে আসে। সত্তর দশকে এসেছে, আশির দশকে, নব্বইয়ের দশকে এসেছে। পরবর্তীতে মায়ানমার সরকার আলাপ আলোচনার মধ্যদিয়ে তাদের নিয়েও গেছে। তবে এবারে সংখ্যাটা অনেক বেশি। একেবারে এগারো লক্ষ। তারা (মায়ানমার) কিন্তু কখনোই বলে নাই, এদেরকে নেবে না। আমরা তাদের বলেছি, তোমরা নিয়ে যাও। তারা বলছে, নিব। আমরা বলেছি, এদের নিয়ে তোমরা নিরাপত্তা দেবে। তারা বলছে, দেবে। আমরা বলেছি, তোমাদের দেশে এরা যাতে স্বেচ্ছায় যেতে চায়, সেই ব্যবস্থা করো। বলছে, করবো। সবকিছুতেই রাজি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পাঁচ বছর পার হয়েছে, একটাও লোক নেয়নি। একটা রোহিঙ্গাও ফেরত যায়নি। তবে আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি- দ্বিপাক্ষিক, ত্রিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক। আমরা এমনকি আদালতেও গেছি।
মোমেন বলেন, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিশ্ব মোড়লদের বলেছি- রাখাইনে যেখানে রোহিঙ্গারা ছিল, সেখানে আপনারা নিরাপদ জোন তৈরি করুন। আপানারা চাইলে পারবেন। কিন্তু উনারা মুখে বলে, কিন্তু সেই ধরনের আন্তরিকতা কিছুটা ঘাটতি আছে। তবে আমি সবসময় আশাবাদী যে, তারা তাদের দেশে ফেরত যাবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা নতুন একটা প্রকল্প নিয়েছি। সব যদি নাও যেতে পারে, কিছু লোককে তারা অন্য দেশে পাঠাবে। আমাদের দেশ খুবই ঘনবসিতপূর্ণ। প্রতি বর্গমাইলে আমেরিকায় মাত্র ৪০ জন ও ইউরোপে মাত্র ১৫ থেকে ২৫ জন লোক বাস করে। পৃথিবীটা আল্লাহ্র তৈরি, এখানে সব মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার আছে। তাই আমরা তাদের বলেছি- আপনারা কিছু লোক নিয়ে যান।
এ সময় সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, আল খায়ের ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ম্যানেজার তারেক মাহমুদ সজীবসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat