ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-২৬
  • ৬৬৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

লক্ষ্মীপুর জেলা সদরে ওমর ফারুক নামে এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মো. আমিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় প্রদান করেন।জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, ইউপি সদস্যকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। আদালতে তা প্রমাণিত হয়েছে। এতে আদালত আসামির মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আমিন সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ এলাকার বড় হুজুরের বাড়ির বশির উল্যার ছেলে।আদালত সূত্রে জানাগেছে, ওমর ফারুক উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে তার সঙ্গে আমিনের মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে একটি চুরির ঘটনায় আমিনের ছোট ভাইয়ের ৭ লাখ টাকা জরিমানা করে ফারুক। ওই টাকা দেওয়ার জন্য আমিনের বাবাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। ওই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুককে হত্যার জন্য তিনি পরিকল্পনা করেন।২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাতে পূর্ব পরিকল্পতভাবে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো ছুরি দিয়ে ফারুকের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়। এসময় ফারুক চিৎকার করলে আমিন আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ওইদিনই নিহতের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৮ জনকে আসামি করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামসুল আরেফিন ২০১৮ সালের ২৯ আগস্ট আদালতে আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্তকালে অন্য আসামিদের নাম বাদ দেয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামি আমিনের মৃত্যদন্ড দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat