ব্রেকিং নিউজ :
লেবাননের মানবিক সংকট মোকাবিলায় ৫০০ মিলিয়ন ইউরো দরকার : নাওয়াফ সালাম সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৩,৩৭২ জন হজযাত্রী সিলেবাস অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন বিতরণে কেন্দ্র সচিবদের নির্দেশনা ঢাকা বোর্ডের নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে ‘কন্যা সাহসিকতা’ পুরস্কার পেল পিরোজপুরের তহমিনা অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোয় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ পাক প্রধানমন্ত্রীর, আলোচনার আহ্বান ডোপ টেস্টে পজিটিভ পাকিস্তানী অলরাউন্ডার নাওয়াজ আমি অভিনেতা হলেও রাজনীতিতে নেমে অভিনয় করিনি: থালাপতি বিজয় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-২৪
  • ৩৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম.  মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি পরাজয়ের গ্লানি এখনও ভুলে যায়নি। তারা এখনও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
আজ চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর ও জীবননগর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন শেষে চুয়াডাঙ্গা  সদর উপজেলায় আয়োজিত  মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং  নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা এখন ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। এ ছাড়া অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার বীর নিবাস নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, জেলা, উপজেলাসহ দেশের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা, ওষুধ, টেস্ট যা প্রয়োজন সবই বিনামূল্যে  প্রদান করা হচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকারই সবসময় কাজ করেছে। আর অন্যরা যখন ক্ষমতায় ছিল শুধু লুটপাট করেছে।
চুয়াডাঙ্গা  জেলা   প্রশাসক  মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খানের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে   চুয়াডাঙ্গা-২  আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. আলী আজগর টগর, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন, চুয়াডাঙ্গা  পৌর মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন,  জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ-সম্পাদক  রিয়াজুল ইসলাম  জোয়ার্দার, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মালিকসহ  সদর উপজেলার  বীর মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ সরাসরি  উপস্থিত  ছিলেন। এছাড়া জীবননগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রকল্পের আওতায়  প্রতিটি প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়। দেশের ৬৩ জেলা ও  ৪৭০ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে  প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৩ জেলা ও প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২১ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat