ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৭-০৪
  • ৬৫১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি সমাপ্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। 
তিনি দুই দেশের অপার সম্ভাবনাগুলো অনুসন্ধানের মাধ্যমে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্যোগে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও প্রসারিত ও ত্বরান্বিত করার উপর জোর দিয়েছেন।
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে ড. মোমেন ইন্দোনেশিয়ার বাজারে আরএমজি, ফার্মাসিউটিক্যালস, চামড়াজাত পণ্যসহ আরও বাংলাদেশী পণ্যের বাজার প্রবেশাধিকার দিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার উপর বিশেষভাবে জোর দেন।
তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘন ঘন মতবিনিময়ের পরামর্শ দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের সুবিধার্থে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য ইন্দোনেশিয়া ও আসিয়ানের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, সমস্যাটি মিয়ানমারের তৈরি এবং এটি মিয়ানমারকেই সমাধান করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান হল বাস্তুচ্যুত লোকদের তাদের নিজ ভূখন্ড মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন।
ড. মোমেন আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থীতার পক্ষে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থনেরও আহ্বান জানান। 
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একমত প্রকাশ করে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য প্রতিনিধি বিনিময়, ট্রেড এক্সপোতে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 
ড. মোমেন ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ার সমর্থনকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া উভয় দেশেই যথাযথ উৎসবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে আনন্দ প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat