ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৪-২৮
  • ৫২৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে আর কোন থানা ভবন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭ সালে আমরা এই জায়গাটি বরাদ্দ পেয়েছিলাম। থানা নির্মাণের জন্য এটা সরকার পুলিশকে দিয়েছিল। এটা পুলিশের জায়গা, পুলিশেরই থাকবে। তবে এখানে কোনও থানা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, এলাকার মানুষ যেভাবে এই জায়গাটি ব্যবহার করতেন, সেভাবেই ব্যবহার করবেন।’ তাহলে কলাবাগান থানা কোথায় হবে-এমন প্রশ্নে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘পরে অন্য কোথাও জায়গা নির্ধারণ করা হবে থানার জন্য।’
তেঁতুলতলা মাঠে থানার জন্য যে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা কোনও সমস্যা না। অবকাঠোমো বেশি কিছু হয়নি। জয়গাটি এলাকাবাসী যেভাবে ব্যবহার করতেন, সেভাবেই করবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্মাণ কাজ তো অবশ্যই বন্ধ থাকবে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ পুলিশই করবে। খেলার মাঠের জন্য উপযোগী জায়গা সেটি নয়। যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, এলাকার লোক যেভাবে ব্যাবহার করছে, সেভাবেই থাকবে- এটাই প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ’। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তেঁতুলতলার যে জায়গাটি সরকার আমাদের হ্যান্ডওভার করেছিল, সেটি কলাবাগান থানার জন্য চেয়ে আমরা আবেদন করি ২০১৭ সালে। দেখলাম, সেই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই, পুলিশের জমি যেভাবে আছে, সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না করা হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।’
প্রাচীর যতটুকু হয়েছে সেভাবেই থাকবে। আগে যেভাবে এলাকাবাসী জায়গাটি ব্যবহার করতেন এখনও সেভাবে ব্যবহার করতে পারবেন জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রাচীর খুব বেশি হয়নি। যদি কোনো অসুবিধা হয়, আমরা দেখব। কিন্তু জায়গাটি পুলিশের, পুলিশেরই থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ পুলিশই করবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat