ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-২৭
  • ৪৪৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পত্রিকায় ‘বঙ্গবন্ধু’র নাম অনেকে লিখতে পারেনি। অনেকে লিখতে চাইলেও পরদিন চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে  সেটি করেনি। দু’একটি পত্রিকা সাহসিকতার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর নাম লিখতে পেরেছে। বন্ধুকের নলের ভয়ে অনেকে বঙ্গবন্ধুর নাম পত্রিকায় লিখতে পারেনি। 
প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে এগিয়ে  নেয়ার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ঠিক সেই সময় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সে সময় অনেকে বঙ্গবন্ধুর নাম পত্রিকায় লিখতে পারেনি।
সাব এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (অপর অংশ) মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (অপর অংশ) সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক  আবুল হাসান হৃদয় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে তরান্বিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গত ৫০ বছরেও আমরা সংবাদকর্মীদের যথাযথ স্থান ও মর্যাদা দিতে পারিনি। 
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হারানো বাংলাদেশকে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। গত ১৩ বছর ধরে তিনি সাংবাদিকদের অভিভাবকের ভূমিকায় আছেন, যা অতীতের কোন সরকার প্রধানকে হতে দেখিনি। তিনি নিজেই সাংবাদিকদের অধিকারের কথা বলেন। অস্টম ওয়েজ বোর্ড এখনও পুরোপরি বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের কথা বলা হয়, আরও নানান সমালোচনা করা হয়। কিন্তু অষ্টম ও নবম ওয়েজবোর্ড  ঘোষণা করা হয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নের কথা বলা হয় না। একটা রাষ্ট্র সুশৃঙ্খলভাবে চলতে হলে আইনের ভিত্তিতেই চলতে হবে। দেশে কোনো অপরাধী আইনের বাইরে থাকবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাব-এডিটররা সাহসিকতার সঙ্গে রসবোধ ও সাহিত্যবোধ দিয়ে একটি সংবাদকে পাঠক ও  শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরতে বিরাট ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, সাব-এডিটররা সারা দিন-সারা রাত কাজ করেন, পরিবারেও অনেকে সময় দিতে পারেন না

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat