ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-৩১
  • ৫৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করার পরে আজ মামলার বাদী সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস তার প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন- ‘এই রায় আমাদের প্রত্যাশিত হলেও, রায় কার্যকর হলেই সন্তুুষ্ট হবো।’
মামলার রায়ে আজ আসামী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া এই মামলায় আরো ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। আদালত ৭ আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন।
কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল আজ সোমবার বিকেলে এই রায় ঘোষণা করেন। এই সময়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা, পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ। আদালত মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামীদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ডও দিয়েছেন।
মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন এপিবিএনের এসআই শাহজাহান আলী, কনস্টেবল মো. রাজীব, মো. আব্দুল্লাহ, পুলিশের কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, লিটন মিয়া ও পুলিশের কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আদালতে রায় ঘোষণা করার পর আসামীর কাঠগড়ায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে নির্বিকার দেখা যায়। এই সময়ে চিৎকার করে কান্নাকাটি করেন যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আয়াছ ও নিজাম উদ্দিন।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল দুপুর ২টা ১৭ মিনিটের দিকে মামলার ৩শ’ পৃষ্ঠার রায়ের উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠ শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি আসামীদের দন্ড ঘোষণা করে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন। আদালত এই সময়ে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘আমি মেজর সিনহা হত্যা মামলাটির বিভিন্ন ইস্যু খুঁটিনাটি খোঁজার চেষ্টা করেছি। এতে প্রমাণিত হয় সিনহা হত্যা একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম বলেন- সিনহা হত্যা মামলায় ১৫ আসামির সবার সাজা হবে প্রত্যাশা করেছিলাম। আমরা প্রমাণ করেছি এটি পরিকল্পিত হত্যাকা-। কিন্তু সব আসামীর সাজা না হওয়ায় আমরা হতাশ।
সিনহা হত্যা মামলার রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। সকালে আদালতে পৌঁছানোর পর আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সকলকে প্রধান ফটক থেকে শুরু করে এজলাস পর্যন্ত যেতে কয়েক দফা নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিবন্ধকতা পার হতে হয়।
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat