ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-০৫
  • ৫৬৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট সেমেরুর অগ্ন্যুৎপাতে রোববার মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩  জনে। উদ্ধারকারীরা রাতভর  অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে ধ্বংসাবশেষ থেকে মুক্ত করেছে। দুর্যোগ কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
জাভার সবচেয়ে বৃহত্তম পর্বতে শনিবার আকস্মিক অগ্ন্যুপাতে স্থানীয়রা হতবাক হয়ে পড়েন, হাজার হাজার লোক আগ্নেয়গিরি বিপদজ্জনক এলাকা থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন, শত শত পরিবার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।
লুমাজাঙ জেলায় আগ্নেয়গিরি নিকটস্ত অন্তত ১১টি গ্রাম ছাইয়ে ঢেকে গেছে, ঘরবাড়ি ছাইয়ে চাপা পড়েছে, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গবাদি পশু মারা গেছে, লোকদের সরিয়ে মসজিদে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
আকস্মিক এই অগ্ন্যুপাতের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সেমেরু থেকে ছাইভষ্ম আকাশে মাসরুমের মতো ছড়িয়ে পড়ছে, আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা প্রাণপণে চিৎকার করে পালানোর চেষ্টা করছেন।
জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন এজেন্সি (বিএনপিবি) মুখপাত্র আবদুল মুহারি ফোনে এএফপিকে বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে উদ্ধারকারীরা আরো মৃতদেহের সন্ধান পেয়েছেন।”
মুহারি বলেন, পূর্ব জাভা প্রদেশের লুমাজাঙ এ আগ্নেয়গিরির আশপাশের এলাকা থেকে আটকে পড়া ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বিএনপিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, আগ্নেয়গিরির বিষ্ফোরণে কমপক্ষে ৫৭ জন আহত হয়েছেন, এদের মধ্যে ৪১ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।
এতে বলা হয়, সংস্থাটি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য, ত্রিপল, ফেসমাস্ক, বডিব্যাগ পাঠিয়েছে। ২০২০ সালে এই আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের পরে এবার সেমেরুর এই অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগের ওই অগ্ন্যুৎপাতে হাজার হাজার লোক পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং তাদের গ্রামগুলো ছাইয়ে ঢেকে যায়।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপপুঞ্জের নিচে রিং অব ফায়ার হিসেবে পরিচিত ভূগর্ভস্ত টেকনোটিক প্লেটের অবস্থান, এই মহাদেশীর প্লেটগুলোর সংযোগস্থলের কারণে প্রায়শই ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্প ও অগ্ন্যুৎপাত হয়ে থাকে। এই দ্বীপমালায় ১৩০ টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat