ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-২৭
  • ৭৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কুকুর দত্তক নিলে ‘ডেট’-এ যাবেন। এমনই শর্ত রেখেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। বামপন্থী অভিনেত্রী বেছে নিয়েছিলেন এক জন রেড ভলান্টিয়ারকেই (শশাঙ্ক ভভাসার)। ভেবেছিলেন, রেড ভলান্টিয়ারের সদস্য তো মানুষের প্রাণ বাঁচান, তা হলে পথকুকুরকেও যত্ন করবেন। কিন্তু পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তব মেলেনি। শশাঙ্কের কথা অনুযায়ী, তাঁর অযত্নে সে কুকুরছানা পাড়ায় বেরিয়ে পড়ে। বড় কুকুররা তাঁকে মেরে ফেলে। এর পর প্রতিবাদের মুখে পড়ে মার খেতে হয়েছে শশাঙ্ককে। সেই পথপশুপ্রেমীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন শশাঙ্ক। সিপিএম পার্টির অন্দরেই দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় তার পর থেকে।শ্রীলেখা বলেন, ‘‘যখন কেউ ছিল না, আমি সিপিএম-এর পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এখন সেই পার্টির সদস্যরা আমার নামে যা ইচ্ছে তাই বলে যাচ্ছে।’’
এই সমস্ত বিবাদে নেটাগরিকরা শ্রীলেখাকে নিয়ে মস্করা শুরু করেছেন। কেউ আবার ঘোরতর সমালোচনায় মেতেছেন তাঁর। শ্রীলেখাকে ‘কুকুর মৌলবাদী’ তকমা দিয়েছেন কেউ কেউ। জনৈক নেটাগরিকের মতে, কুকুরের পরিবর্তে নিজের সঙ্গে ‘ডেট’-এর প্রস্তাব রাখা অনুচিত। তিনি লিখেছেন, ‘উনি কি নিজেকে ট্রফি মনে করেন?’ তার পরে সিপিএম নেতৃত্বের উদ্দেশে তাঁর অনুরোধ, ‘কুকুরবাদী এবং ক্যাডারবাদী এই দুই দলে বিভক্ত হয়ে যাবেন না। ঐক্যই বল। ইউনিটি ইজ স্ট্রেংথ।’ লাইভ ভিডিয়োয় শ‌্রীলেখার কান্নাকে ঘিরেও হাসাহাসি চলছে নেটমাধ্যমে। আর এক নেটাগরিকের মন্তব্য, ‘সিপিএমের অভিনেত্রী, কুকুর-মৌলবাদী এবং সিপিএম সদস্য ও রেড ভলান্টিয়ারদের দিনব্যাপী নাটক নিয়ে আমার প্রতিক্রিয়া…কিছু যায় আসে না।’ নীচে শ্রীলেখারই একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি।
কুকুরছানা দত্তক নেওয়ার পর থেকে দু’জন পথপশুপ্রেমীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন শশাঙ্ক। তাঁর কথায় জানা যায়, তাঁদের এক জন মঙ্গলবার রাতে ফোন করেন শশাঙ্ককে। ঠিক হয়, তাঁর বাড়ি গিয়ে কথা বলবেন। সেই মতো দক্ষিণেশ্বরে শশাঙ্কের বাড়ির কাছে পৌঁছন দু’জন মহিলা। সঙ্গে ছিলেন আরও চার পুরুষ। শশাঙ্কের অভিযোগ, কথা বলতে বলতেই শশাঙ্কের গায়ে হাত তোলেন তাঁরা। চড়, থাপ্পড় মারা শুরু হয়। পাড়ার লোকেরা এসে তাঁকে রক্ষা করেন। এই ঘটনার পরেই সরকারি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান শশাঙ্ক।
নেটাগরিকদের অনুমান, অভিনেত্রী সম্ভবত এ বার তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু শ্রীলেখা আনন্দবাজার অনলাইনকে জানিয়েছেন, মানুষ তাঁর সম্পর্কে কী বলছেন, তার উপর ভিত্তি করে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। শ্রীলেখা বললেন, ‘‘আমি বামেদের সমর্থন করতাম, আগামীতেও তাই করব।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat