ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-১৫
  • ৮৫৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় শোক দিবস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আজ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশন।
১৯৭৫ সালের এই দিনে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু, তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে কিছু পথভ্রষ্ট সেনা সদস্য নির্মমভাবে হত্যা করে।
চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান সকালে জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন করেন।
পরে মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে হাইকমিশনার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি কিছুক্ষণ গম্ভীর নীরবতা পালন করেন।
ভারতের রাজধানীতে অবস্থানরত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নয়াদিল্লি ব্যুরো চিফ এবং বাংলাদেশ বিমান কর্মকর্তারাও তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহান এই নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে চ্যান্সরির বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হাই কমিশনার মুহাম্মদ ইমরান ও বাংলাদেশ মিশনের মিনিস্টার (প্রেস) শাবান মাহমুদ। মিনিস্টার (রাজনৈতিক) নুরাল ইসলাম এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের বার্তাও পাঠ করে শোনানো হয়।
বঙ্গবন্ধুকে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ইমরান বলেন, আন্তর্জাতিক মর্যাদা, মহানুভবতা, পরোপকার এবং সুউচ্চ ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধুকে গত শতাব্দীর একজন কিংবদন্তি নেতা করে তুলেছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক ফ্রন্ট ও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল ছিলেন কারণ তিনি তাঁর জীবদ্দশায় বিশ্বের বেশিরভাগ ক্ষমতাধর দেশসহ ১১৫টিরও বেশি বিদেশী দেশ থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
হাইকমিশনার বঙ্গবন্ধুর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে আরো গবেষণার উপর জোর দেন যাতে নতুন প্রজন্ম সেই মহান মানুষের কথা জানতে পারে, যিনি তার নিজের জীবনের চেয়ে দেশবাসীকে বেশি ভালোবাসতেন এবং কীভাবে তিনি বাংলাদেশের নিপীড়িত জনগণের উন্নতির জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশের আরও উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বাংলাদেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য মোনাজাত করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ হাই কমিশন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে হাই কমিশন ‘বঙ্গবন্ধু, অমর কিংবদন্তি’ শিরোনামে একটি স্মারকও প্রকাশ করে।
কলকাতা ও মুম্বাইয়ে উপ-হাই কমিশন এবং অসমের গুয়াহাটি ও ত্রিপুরার আগরতলা সহকারী হাই কমিশনে একই ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat